শুক্রবার ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৭ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

আজিজ কো-অপারেটিভ ব্যাংকের চেয়ারম্যান গ্রেফতার

জুলাই ১১, ২০১৯ | ৬:৩১ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ১৬ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইমের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) শারমিন জাহান সারাবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বংশাল থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলায় আরও যারা আসামি আছে তাদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।’ সিআইডির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান শারমিন জাহান।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সুফিয়া আক্তার নামে ভুক্তভোগী এক নারী মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে বংশাল থানায় অর্থ আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার কারণ দেখিয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন- আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেডের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম (৬২), ব্র্যাঞ্চ কন্ট্রোলার ও ব্যবস্থাপক লাকী খাতুন (৩২), শাখা ব্যবস্থাপক মো. দ্বীন মোহাম্মদ (৪২) এবং নবাবপুর শাখা ব্যবস্থাপক ইকবাল হোসেন (৩৫) এবং ব্যাংকের উপদেষ্টা মো. নুরুন্নবী (৬৫)।

বিজ্ঞাপন

এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, ২০১০ সালের ২০ অক্টোবর থেকে আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেডের নবাবপুর শাখা অফিসে বিভিন্ন মেয়াদে সুফিয়া আক্তার মোট ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ৩৩৫ টাকা জমা রাখেন। বিশেষ প্রয়োজনে সুফিয়া আক্তার গত ২০১৮ সালের ১৭ নভেম্বরসহ বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকে গিয়ে গচ্ছিত টাকা তুলতে গেলে নবাবপুর শাখা ব্যবস্থাপক ইকবাল হোসেন সুফিয়া আক্তারকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘টাকা নেই, কোথা থেকে দেব?’

এরপর ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম ও ব্র্যাঞ্চ কন্ট্রোলার ও ব্যবস্থাপক লাকী খাতুনের সঙ্গে যোগাযোগ করে পাওনা টাকা ফেরত চান সুফিয়া আক্তার। তখন তারা দু’জনই টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টালবাহানার মাধ্যমে বিভিন্ন সময় ঘোরাতে থাকেন। তখন তারা সুফিয়া আক্তারকে জানান, শাখা ব্যবস্থাপক মো. দ্বীন মোহাম্মদ ও ব্যাংকের উপদেষ্টা মো. নুরুন্নবীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে। এরপর দ্বীন মোহাম্মদ ও মো. নুরুন্নবী সুফিয়া আক্তারকে বারবার সময় দিয়ে ঘোরাতে থাকেন।

সর্বশেষ চলতি বছরের ৬ মার্চ আসামিরা টাকা দেবে না জানিয়ে সুফিয়া আক্তারকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।

বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুর রহমান বলেন, ‘আমাদের থানায় দায়ের করা অর্থ আত্মসাতের একটি মামলায় তাজুল ইসলামকে সিআইডি গ্রেফতার করেছে। সুফিয়া আক্তার নামের এক নারী বাদী হয়ে ওই মামলা করেছেন।’

সারাবাংলা/ইউজে/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন