বুধবার ১৭ জুলাই, ২০১৯ ইং , ২ শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৩ জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

২ ঘণ্টার বৃষ্টিতেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক পানির নিচে

জুলাই ১২, ২০১৯ | ৮:৩৯ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: শুক্রবার দুপুর থেকে শুরু হওয়া দুই ঘণ্টার বৃষ্টিতে রাজধানীর বেশ কয়েকটি সড়ক ও মার্কেট পানিতে ডুবে যায়।

শুক্রবার দুপুরে যাত্রাবাড়ী এলাকায় দেখা যায়, বৃষ্টির পানি সরে যেতে না পারায় কাচা বাজারের রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে কাচাবাজারের মালামাল পানিতে ভাসতে দেখা যায়। লাউ, মিষ্টি কুমড়া, পুঁইশাক, কচু, আলুসহ বেশ কয়েকটি সবজি পানিতে ভেসে যায়।

বিকেল ৫টার দিকে বৃষ্টির পানিতে ডুবে থাকতে দেখা যায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের সামনের সড়ক থেকে শুরু করে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের সামনের সড়ক হয়ে আরামবাগ সড়ক পর্যন্ত। নটরডেম কলেজের সামনের সড়ক থেকে শুরু করে ফকিরাপুল পর্যন্তও সড়কের দুইপাশে হাঁটু পানি দেখা যায়। শাহজাহানপুর এলাকার বেশিরভাগ সড়কই পানিতে তলিয়ে থাকতে দেখা যায়।

বিজ্ঞাপন

পানিতে তলিয়ে থাকতে দেখা যায় বঙ্গবাজার মার্কেটের সামনের সড়ক। সেখানে হাঁটু পানি দেখা যায়। নিউমার্কেট এলাকার সড়ক দুই পাশে আধা হাঁটু পানিতে তলিয়ে থাকতে দেখা যায়। বিকেল পর্যন্ত এ পানি সরানোর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

মহাখালীর শাহীনবাগ এলাকার সড়কগুলোর পাশাপাশি দোকান, বাসাবাড়ির নিচতলা পানিতে ডুবে থাকতে দেখা যায়।

শুক্রবার বিকেলে পানিতে ডুবে থাকতে দেখা গেছে খিলগাঁও তালতলা সড়ক, মালিবাগ চৌধুরীপাড়া থেকে রেলগেটের সড়কে ওঠার যে সড়ক সেটিও পানিতে ডুবে থাকতে দেখা গেছে।

এছাড়া মিরপুর, ধানমন্ডি, চকবাজার, বংশাল, লক্ষীবাজার ও লালবাগ এলাকার অনেক সড়ক পানিতে ডুবে থাকার খবর পাওয়া গেছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ জানান, শুক্রবার বেলা ১২ টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত ঢাকায় ৪৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা একদিনে এবছর সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড।

শাহজাহানপুর এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম বলেন, রাস্তার পানি সহজেই সরছে না। পানি সরানোর জন্য কোনো উদ্যোগও দেখা যাচ্ছে না। এরকম আরেকদিন পানি হলে বিছানাতেও পানি উঠবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। অন্যদিকে শুক্রবার আইডিয়াল কলেজের সামনের সড়কে হলিডে মার্কেট বসে। রাস্তায় পানির কারণে হলিডে মার্কেটও আজ সুবিধা করতে পারেনি।

হলিডে মার্কেটের ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ বলেন, ‘শুক্রবার বেচাকেনা করার জন্য এখানে দোকান বসাই। কিন্তু আজ বৃষ্টির কারণে কোনো বেচাবিক্রি করতে পারিনি। অবশেষে দোকান গুছিয়ে নিতে হয়েছে।’

সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম কুমার বলেন, ‘সড়ক থেকে পানি সরাতে কাউন্সিলরদের ফোন করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের টিম সব জায়গায় কাজ করছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে পানি নেমে যাবে বলে আশা করছি।’

সারাবাংলা/ইউজে/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন