বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৩ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৮ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

আপেল কলা নিয়ে ডেঙ্গু রোগীর বাসায় মেয়র

জুলাই ১৩, ২০১৯ | ৪:০৭ অপরাহ্ণ

ঢাকা: সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী তানজিম আল ইসলামের আইনী নোটিশ পাওয়ার পর তার বাসায় গেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন। স্ত্রী সাদেকুন নাহার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর ৫০ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে গত ১১ জুলাই মেয়রের কাছে আইনি নোটিশ পাঠান তানজিম আল ইসলাম। এর দুদিনের মাথায় আপেল, কলাসহ বিভিন্ন ফলের ঝুড়ি নিয়ে সেই আইনজীবীর বাসায় যান মেয়র সাঈদ খোকন।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১৩ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে তানজিম আল ইসলামের বাসায় যান মেয়র। এ সময় তার স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন মেয়র।

অ্যাডভোকেট তানজিম বলেন, ‘বেলা সাড়ে ১১টায় মেয়র সাঈদ খোকন আমার বাসায় ফল নিয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় আমার স্ত্রী সাদেকুন নাহারের সঙ্গেও কথা বলেন মেয়র।’

সাদেকুন নাহার অসুস্থতার অভিজ্ঞতার কথা মেয়রকে জানান। সাঈদ খোকন প্রায় আধা ঘণ্টা আইনজীবীর বাসায় অবস্থান করেন।

মেয়র আরও বলেন, ‘ক্ষতিপূরণ চেয়ে আমাদের কাছে লিগ্যাল নোটিশ এসেছে। বিষয়টির আইনি প্রক্রিয়ার ব্যাপার রয়েছে। এটি আইন বিভাগের বিষয়। যে নাগরিক ক্ষুব্ধ হয়েছেন, মেয়র হিসেবে তার সঙ্গে থাকা, দেখা করা আমার নৈতিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই চলে এসেছি। আমার বোনকে দেখে এসেছি। তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছি, তাকে আশ্বস্ত করেছি, সবাই মিলে অচিরেই ডেঙ্গুমুক্ত শহর গড়ে তুলবো।’

বিজ্ঞাপন

এ সময় অ্যাডভোকেট তানজিম বলেন, ‘মেয়র এসেছেন তার নৈতিক দায়িত্বের জায়গা থেকে। আমার পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানাই। ৫০ লাখ টাকার বিষয়টি ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেখলে হবে না, প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে দেখতে হবে।’

গত বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকালে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম লিগ্যাল নোটিশ পাঠান ঢাকা দক্ষিণ সিটি মেয়রকে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ‘২৯ জুন আমার স্ত্রী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর পাঁচ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে তিনি কিছুটা সুস্থ হন। যেহেতু এডিস মশা নিধনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন পুরোপুরি ব্যর্থ, তাই এর দায়ভার তাদের (মেয়র ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা) নিতে হবে। এ কারণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে এই নোটিশ পাঠানো হলো।’

ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি আগামী তিন দিনের মধ্যে খিলগাঁও এক নম্বর ওয়ার্ডে মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও জানিয়েছেন ওই আইনজীবী। এসব দাবি না মানলে যথাযথ ক্ষতিপূরণ আদায়ে বিবাদীদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।

সারাবাংলা/এসএইচ/জেএএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন