রবিবার ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ১ পৌষ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৭ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

ভোলার এসপিকে তলব

জুলাই ১৭, ২০১৯ | ৪:২১ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতে তথ্য না দেওয়ায় ভোলার পুলিশ সুপার (এসপিকে) তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ২০ আগস্ট তাকে হাইকোর্টে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১৭ জুলাই) বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো.রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো.আশরাফুল আলম নোবেল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি আটর্নি জেনারেল জাহিদ সরওয়ার কাজল।

পরে আইনজীবী আশরাফুল আলম নোবেল সাংবাদিকদের বলেন, আমরা জানতাম রাবেয়া খাতুনের মামলায় আরেক আসামি জুলহাস মারা গেছেন। পত্রিকার প্রতিবেদনেও সেটি উল্লেখ ছিল।

আদালত এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন জুলহাস জীবিত না মৃত সেটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য। পুলিশের পক্ষ থেকে রিপোর্ট এসেছিল জুলহাস ১০ থেকে ১২ বছর আগেই ঢাকা থেকে চলে গেছে। পরবর্তীতে তার গ্রামের বাড়ি ভোলার ঠিকানায় আরেকটি তদন্ত করে সেখানে তিনি আছেন কিনা। ভোলার পুলিশ সুপার রিপোর্ট পাঠিয়েছেন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই নামে সেখানে কোন অস্তিত্ব নাই।

বিজ্ঞাপন

আইনজীবী বলেন, এ মামলার বিষয়ে আজকে আমি কিছু রিপোর্ট দাখিল করেছি। যেখানে উল্লেখ আছে জুলহাস ২০০৪ সালে খুন হয়। সেই মামলার এজহার ও নথিপত্র আদালতে দাখিল করেছি। পুলিশের প্রতিবেদন ও আমার দেওয়া ডকুমেন্টের মধ্যে যেহেতু গরমিল আছে সেহেতু এ বিষয়ে পুলিশের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে আদালত আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে হাইকোর্টের নির্দেশনায় স্থগিত করার পরেও অশীতিপর রাবেয়া খাতুনের মামলার কার্যক্রম পরিচালানার বিষয়ে আইনজীবীর মাধ্যেমে দু:খ প্রকাশ করে ব্যাক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো: আল মামুন।

গত ৩০ এপ্রিল এক আদেশে হাইকোর্ট ১৮ বছর আগে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় অশীতিপর রাবেয়া খাতুনের মামলার কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। মামলার নথি তলব করে বিচার বিলম্বের ব্যাখ্যা দুইসপ্তাহের মধ্যে জানতে চায় আদালত।

সারাবাংলা/ এজেডকে/জেডএফ 

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন