সোমবার ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১১ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

ভারতীয় জাহাজে প্রথম এলো ভুটানের পাথর

জুলাই ১৮, ২০১৯ | ৫:১৫ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: প্রথমবারের মত ভুটানের পাথর নিয়ে ভারতীয় একটি জাহাজ মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জে এসে পৌঁছেছে। এ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নারায়ণগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ইন্দো-বাংলা প্রটোকল রুট ব্যবহার করে আসা প্রথম চালানটি গ্রহণ করেন ভারতীয় হাই কমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ।

বিজ্ঞাপন

ঢাকার ভারতীয় মিশন এক বার্তায় এই তথ্য জানিয়ে বলেছে, ইন্দো-বাংলা প্রটোকল রুট ব্যবহার করে আসা প্রথম চালান গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভুটানের রাষ্ট্রদূত সোনম টি রাবগি এবং বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ভুটান স্থলপথ ব্যবহার করে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পাথর রফতানি করেছে। এই প্রথম ভারতের একটি জাহাজ ভুটানের ১০০০ মেট্রিক টন পাথর পরিবহন করেছে, যা স্থলপথে আনতে ৫০টিরও বেশি ট্রাক প্রয়োজন হতো।

ভারতের নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী শ্রী মনসুখ মাণ্ডব্য গত ১২ জুলাই ডিজিটালভাবে এমভি এএআই নামের ভারতের অভ্যন্তরীণ নৌ কর্তৃপক্ষের এই জাহাজটির যাত্রা সূচনা করেন। এরপর জাহাজটি আসামের ধুবরি থেকে যাত্রা করে ব্রহ্মপুত্র নদী হয়ে বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জে এসে পৌঁছায়।

বিজ্ঞাপন

গত ২০১৮ সালের অক্টোবরে ধুবরিকে নদীবন্দর ঘোষণা করা হয়। এই প্রথমবারের মত ভারতীয় নৌপথ ও ভারতকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে দুদেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন করা হচ্ছে। আসামের ধুবরি বন্দর থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে ভুটানের ফুয়েন্টশোলিংয়ের পাথর প্রথমে ট্রাকে করে আনা হয়। এরপর সেই পাথর ধুবরি নদীবন্দরে ভারতীয় জাহাজে তোলা হয়। এরপর সেই জাহাজ বাংলাদেশের উদ্দেশে যাত্রা করে।

ভারতের নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী শ্রী মাণ্ডব্য বলেন, ‘এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারত, ভুটান এবং বাংলাদেশ উপকৃত হবে। এছাড়া প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই রুটের মাধ্যমে পণ্য পরিবহনের ফলে ৮ থেকে ১০ দিন সময় সাশ্রয় হবে। এতে পরিবহন খরচ কমবে ৩০ শতাংশ। এই উদ্যোগ ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যের জন্য একটি বিকল্প পথ উন্মুক্ত করবে। যে পথের মাধ্যমে দেশের অন্যান্য অংশ থেকে এই জায়গায় পণ্য পৌঁছানো সহজ ও সাশ্রয়ী হবে।’

এদিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ নৌ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জানান, নেভিগেশন চ্যানেলে নাব্যতা বজায় রাখার জন্য ড্রেজিং করা হয়েছে। এছাড়া ভারত সরকার অভ্যন্তরীণ ও উপকূলীয় নৌপথের ব্যবহার বাড়িয়ে পণ্য পরিবহনের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। ভারত-বাংলাদেশে ফেয়ারওয়ে উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে আশুগঞ্জ-জকিগঞ্জ রুটের ড্রেজিং কাজও চলমান রয়েছে।

সারাবাংলা/জেআইএল/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন