শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ৮ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

ধর্ষণ রোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ার পরামর্শ অ্যাটর্নি জেনারেলের

জুলাই ১৮, ২০১৯ | ৭:১৯ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ধর্ষণ রোধে এলাকায় এলাকায় কমিটি গঠন করার পরামর্শ দিলেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশ দিয়ে তো আর ধর্ষণ কমানো যাবে না। ধর্ষণ কমাতে এলাকায় এলাকায় জনগণকে কমিটি করতে হবে, সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) অ্যাটর্নি জেনারেল মাহুববে আলম তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

সম্প্রতি ধর্ষণের ঘটনা অনেক বেড়ে গেছে। আজ ধর্ষণের বিচারে হাইকোর্ট যে নির্দেশনা দিয়েছেন তাতে এ অপরাধ কমবে কিনা - এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘এ আদেশের জন্য কমবে বলে মনে হয় না। এই আদেশ তো মামলাগুলোর বিচার তাড়াতাড়ি করার জন্য। আর ধর্ষণের বিষয়টির জন্য একটা সামাজিক আন্দোলন যদি না গড়ে তোলা হয়, তাহলে আমার মনে হয় না কোনো প্রতিকার হবে।’

তিনি বলেন, ‘নির্দেশ দিয়ে তো ধর্ষণ কমানো যাবে না। ধর্ষণ কমাতে এলাকায় এলাকায় জনগণকে কমিটি করতে হবে। যারা ধর্ষণের শিকার তাদের সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টিও আগে থেকে নিতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘সাক্ষীদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য একটা আইন প্রণয়ন করা হয়। তার কারণ হলো অনেক সাক্ষী জীবনের ভয়ে বা সন্ত্রাসীদের আক্রমণের ভয়ে আদালতে আসতে চান না বা সাক্ষ্য দিতে চান না।’

মাহবুবে আলম বলেন, ‘ধর্ষণ মামলার বিচারে সাতটি নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এ নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত। এ অনুচ্ছেদে বলা আছে, নিম্ন আদালতের তদারকি বা তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগের। সেই অনুচ্ছেদের ক্ষমতা বলে হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন।’

সাতদফার একটিতে বলা হয়েছে বা আইনেও বলা আছে, নির্দিষ্ট সময় অর্থাৎ ১৮০ দিনের মধ্যে মামলাগুলো নিষ্পত্তি করতে হবে। এটা যাতে সঠিকভাবে প্রতিপালিত হয় এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যদি কেউ ধর্ষণের মতো অপরাধ করার পরও যদি বিচারের সম্মুখীন না হন তবে অপরাধের ব্যাপারে আরও উৎসাহিত হবে। কিন্তু আমার কথা হলো, এ অপরাধটা কমাতে হলে এলাকায় এলাকায় জনগণকে আরও সোচ্চার হতে হবে।’ মিডিয়া এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এর আগে ছয় মাসের মধ্যে ধর্ষণ মামলা এবং ধর্ষণ পরবর্তী হত্যা মামলায় শুনানি শেষ করাসহ সাত দফা নির্দেশনা দিয়ে আদেশ দেন হাইকোর্ট।

সারাবাংলা/এজেডকে/জেডএফ 

আরও পড়ুন: ধর্ষণ মামলার বিচারে সাত দফা নির্দেশনা

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন