বৃহস্পতিবার ২২ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ৭ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২০ জিলহজ, ১৪৪০ হিজরি

বিজ্ঞাপন

ফার্স্ট ফাইন্যান্সের ৫ পরিচালক কেন বাদ নয়: হাইকোর্ট

জুলাই ১৮, ২০১৯ | ৯:১৭ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড থেকে চার কোম্পানির ৫ জন পরিচালককে কেন অব্যাহতি দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এই পাঁচজন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক এপিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপুর টাকায় বেনামে প্রতিষ্ঠিত চারটি কোম্পানির মনোনীত পরিচালক ছিলেন।

একইসঙ্গে মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কোম্পানির পরিচালক থেকে অপসারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে করা আবেদন নিষ্পত্তি করতে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মো. মনিরুজ্জামান নামের একজন শেয়ার হোল্ডারের করা আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, অ্যাডভোকেট এম কে রহমান ও ব্যারিস্টার এবিএম সিদ্দিকুর রহমান খান।

রুল জারির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্যারিস্টার সিদ্দিকুর রহমান খান। তিনি জানান, এ আদেশের কারণে সংশ্লিষ্ট ৫ পরিচালকের ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেডের বোর্ড মিটিংয়ে অংশ নেওয়া উচিত হবে না।

যে চার কোম্পানির পরিচালকদের বিষয়ে অভিযোগ সেগুলো হলো- আলফাবেট এসোসিয়েট লিমিটেড, অপারচর ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, রাকাস ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ও কাসরাজ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

গত ২ জুলাই মানিলন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কোম্পানির পরিচালক থেকে অপসারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি আবেদন করেছিলেন ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেডের পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি।

‘তারেক ঘনিষ্ঠ অপুর দুর্নীতির আরো তথ্য’ শিরোনামে গত ২৭ জুন একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট করেন মো. মনিরুজ্জামান।

সারাবাংলা/এজেডকে/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন