শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ৮ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

লালমনিরহাটে তিস্তার ভাঙনে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ধস

জুলাই ১৯, ২০১৯ | ১০:০২ পূর্বাহ্ণ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

লালমনিরহাট: লালমনিরহাটে গত ৮দিনের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে, ধীরে ধীরে কমছে তিস্তার পানি। তবে পানি কমার সাথে সাথে নদীতে বেড়েছে ভাঙন। তিস্তার তীরে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ স্পারে ধসে গেছে সিসি ব্লক।

বিজ্ঞাপন

সরেজমিনে দেখা গেছে, বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেল থেকে শুরু করে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা পর্যন্ত জিও ব্যাগ ফেলে বাঁধরক্ষার চেষ্টা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

গোবর্দ্ধন স্প্যার বাঁধ ২ এর দায়িত্ব থাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারী প্রকৌশলী লিটন আলী সারাবাংলাকে জানান, টানা কয়েকদিনের বন্যা শেষে তিস্তার পানি প্রবাহ কমে যাওয়ায় তিস্তাপাড়ে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। হঠাৎ বাঁধটির মাটির শ্যাংকের ১০ মিটার এলাকার সিসি ব্লক স্রোতে বসে গিয়ে ভাঙ্গন শুরু হয়। পাশাওয়াশি বাঁধের আরসিসি পার্টেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। পানির স্রোতে বসে গেছে শিট প্লেট। ফলে আরসিসি পার্টের নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় আরসিসি পার্ট মারাত্বক ঝুঁকিতে রয়েছে। যেকোন মুহুর্তে বাঁধের সামনের অংশের আরসিসি পার্ট ভেসে গিয়ে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হতে পারে। তাই বাঁধরক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে ৫ শত জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ বাঁধের জন্য আরও দুই হাজার জিও ব্যাগ মজুদ রয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও জিও ব্যাগ নেয়া হবে।

বাঁধটির অদূরের বাসিন্দা মুকুল সারাবাংলাকে জানান, হঠাৎ ভাঙ্গন দেখা দিলে বাঁধের সিসি ব্লকগুলো মুহুর্তে ভেসে গেছে। ভাঙনে আতংকিত হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। ইতোমধ্যে একটি দোকান ও বাড়ি ধসে পড়ে ভেসে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের জিও ব্যাগে বালু ভর্তি করে রাতভর চেষ্টা করে ভাঙ্গন নিয়ন্ত্রন করা হচ্ছে। তবে বাঁধের সামনের অংশে আরসি পার্টের নিচে স্রোত প্রবাহিত হচ্ছে। যা আর মেরামত করা হয়নি। এটা ভেসে গেলে কয়েক হাজার পরিবার ভাঙনের মুখে পড়বে। এটা যত দ্রুত সম্ভব মেরামত করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/ওএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন