শনিবার ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ৩০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

সোনভদ্রা ট্র্যাজেডি: আবারও আসার প্রতিশ্রুতি শোকাতুর প্রিয়াঙ্কার

জুলাই ২০, ২০১৯ | ৭:২৭ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গোষ্ঠীগত সংঘাতের জের ও জমি নিয়ে বিরোধের সহিংসতায় শোকাতুর ও বেশ উত্তপ্ত উত্তর প্রদেশের সোনভদ্রা। সেখানের উমবাহ গ্রামে গত ১৭ জুলাই সহিংসতায় অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে শুক্রবার (১৯ জুলাই) সোনভদ্রারে উদ্দেশ্যে রওনা হন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তবে পথিমধ্যে মির্জাপুরে তাকে আটক করে পুলিশ। নিরাপত্তার ব্যাঘাত ঘটবে জানিয়ে তাকে যেতে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী তার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। অবশেষে উমবাহ গ্রামে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে ফিরে আসেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তবে তিনি পরিবারগুলোকে কথা দিয়েছেন, প্রয়োজনে আবারও সেখানে যাবেন তিনি। খবর দ্য হিন্দস্থান টাইমেসর।

বিজ্ঞাপন

প্রিয়াঙ্কা বলেন, নিরাপত্তা কর্মকর্তারা যারা আমাকে সোনভদ্রা যাওয়ায় বাধা দিচ্ছিল। তারা বলছে, আমাকে গ্রেফতার করা হয়নি। আমি এখন যেখানে খুশি যেতে পারি। আমি তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, আমি ওই পরিবারগুলোর সঙ্গে দেখা করেছি। এখন আমি চলে যাচ্ছি তবে আবার ফিরে আসব।

প্রিয়াঙ্কা দাবি করেন, যাতে হতাহতের পরিবারগুলোকে ২৫ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ১০ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

যুগ যুগ ধরে চাষাবাদ করে আসা জমির ন্যায্য অধিকারের দাবি জানিয়ে প্রিয়াঙ্কা আরও জানান, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ যাতে কৃষক পরিবারগুলোর ওপর দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করে নেয়। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিও করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

এর আগে স্থানীয় কর্মকর্তারা রাতে ও পরদিন দুপুর পর্যন্ত প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে স্থানীয় চুনার ফোর্টে আটক করে রাখে। সেখান থেকে প্রিয়াঙ্কা সোনভদ্রার উমবাহ গ্রামে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান। প্রিয়াঙ্কা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সান্ত্বনা দেন ও তাদের পাশে থাকবেন বলে জানান।

প্রিয়াঙ্কার অভিযোগ উত্তরপ্রদেশে ক্রমশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে এবং অপরাধ বাড়ছে। তবে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও বিজেপি সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করছে না।

এদিকে উমবাহ গ্রামে প্রাণহানির ঘটনায় ২৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এছাড়া, একজন সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট ও চারজন পুলিশ সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জমি নিয়ে বিরোধে গত ১৭ জুলাই উমবাহ গ্রামের গ্রামপ্রধানের অনুসারীরা স্থানীয় গন্দ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালায়। গুলি করে হত্যা করে ১০ জনকে। এ ঘটনায় আহত হন আরও ২৮ জন।

সারাবাংলা/এনএইচ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন