বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৪ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা সার্কুলার কেনো বেআইনী নয়: হাইকোর্ট

জুলাই ২৩, ২০১৯ | ৫:০৫ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ঋণ খেলাপিদের বিশেষ সুযোগ দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা সার্কুলারটি কেনো বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বিজ্ঞাপন

এক সম্পূরক আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে রুল জারি করেন।

অর্থমন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনিরুজ্জামান। রিটকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। আর ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-বিএবি’র পক্ষে ছিলেন শাহ মঞ্জুরুল হক।

অর্থ বিভাগের আবেদনে গত ৮ জুলাই আপিল বিভাগ ঋণ খেলাপিদের বিশেষ সুযোগ দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারের ওপর হাইকোর্টের স্থিতাবস্থার আদেশ শর্তসাপেক্ষে দুই মাসের জন্য স্থগিত করে।

বিজ্ঞাপন

আদেশে আপিল বিভাগ বলে দেয়, কোনো ব্যবসায়ী এই সুবিধা নিলে দুই মাসের মধ্যে তিনি আর অন্য কোনো ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারবেন না।

সেই সঙ্গে হাইকোর্ট যে রুল জারি করেছিল, তা নিষ্পত্তির জন্য সেদিন বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চকে দায়িত্ব দেয় আপিল বিভাগ।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের আবেদনে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২১ মে ওই সার্কুলারের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেছিলেন।

আজ শুনানির পর আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘ব্যাংক খাতে অর্থ আত্মসাৎ, ঋণ অনুমোদনে অনিয়ম, সুদ মওকুফ সংক্রান্ত বিষয় তদন্ত ও সুপারিশ প্রণয়নে কমিশন গঠন বিষয়ে যে রুল জারি হয়েছিল সেটি শুনানির জন্য জেবিএম হাসানের আদালতে পাঠিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।

সেই রুলটি শুনানির এক পর্যায়ে একটি সম্পূরক রুলের জন্য আরেকটি আবেদন করেছিলাম। আজকে সেটির উপরও শুনানি হয়েছে। শুনানিতে বিবাদি পক্ষের আপত্তির পরও ‘ঋণ খেলাপিদের বিশেষ সুযোগ দিয়ে গত ১৬ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা সার্কুলার কেনো বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, মর্মে রুল জারি করেছেন।’

আগামী ৩১ জুলাই পরবর্তী শুনানির তারিখ রাখা হয়েছে বলে জানান রিটকারী পক্ষের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

তিনি বলেন, ‘এই সার্কুলারটা জারি করা হয়েছিল ব্যাংকিং কমিশন গঠন বিষয়ে আদালতের রুল জারির পর এবং এই সার্কুলারটি ব্যাংকিং কমিশনের সাথে সম্পর্কিত। এই কারণে এটি রুল ইস্যু হওয়ার যোগ্য। তাই আদালতকে ১০ দিনের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সারাবাংলা/এজেডকে/জেএএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন