রবিবার ২০ অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ৪ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২০ সফর, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

হাথুরুর সাথে কথা হয়নি: পাপন

জুলাই ২৪, ২০১৯ | ৩:৩৪ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

স্টিভ রোডসের বিদায়ের পর নতুন হেড কোচ নিয়োগ প্রসঙ্গে অনেকেই ধারণা প্রসূত মন্তব্য করেছেন। দেশের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম বেশ ফলাও করে সংবাদ প্রচার করেছে যে, সাবেক কোচ হাথুরুসিংহকে আবার মাশরাফি-সাকিবদের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগে দেওয়া হচ্ছে। এই সংক্রান্ত বিষয়ে হাথুরুর সঙ্গে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের নাকি একাধীকবার কথাও হয়েছে। কিন্তু পাপন জানালেন, না! হাথুরুর সঙ্গে এ বিষয়ে নাকি তার কোনো কথাই হয়নি!

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর বেক্সিমকো কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, হাথুরুর সঙ্গে তার কথা বলা নিয়ে যে খবর চাউর হয়েছে সেটা সঠিক না। তিনি জানান, ‘হাথুর সিংহের সাথে এখন কথা বলা নিষিদ্ধ। কারণ শ্রীলঙ্কায় সিরিজ চলছে। কথা বলাই যাবে না। হাথুরুর সঙ্গে আমার মনে হয় এই তথ্যটাই ঠিক না। এই সিরিজের পরে যদি সে আসার ইচ্ছে প্রকাশ করে তাহলে সেও একজন প্রার্থী হবে। ওরকম স্পেসিফিক কারো সাথে আমাদের কথা হয়নি।’

এদিকে কোচিং স্টাফ নিয়োগের বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন উল্লেখ করে বিসিবি সভাপতি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রক্রিয়া চলছে। একজন কোচ তো না। হেড কোচ, ফাস্ট বোলিং কোচ… দেখছি আমরা। ফিজিওর ব্যাপার আছে। আমরা এবার ঠান্ডা মাথায় বুঝে শুনেই নিতে চাচ্ছি। খালি নাম দেখে না বা অতীত অভিজ্ঞতা দেখে না। আমরা বুঝে শুনে নিতে চাচ্ছি।’

তবে কোচ নিয়েগে গেলবারের মতো এবার আর কোনো পরামর্শকের ধার ধারতে চাইতে চাইছে না বাংলাদেশ ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক এই প্রতিষ্ঠানটি। নিজেদেরে মতো যাচাই বাছাই করে যতদ্রুত সম্ভব হেড কোচের কাঁধে লাল সবুজের দায়িত্ব তুলে দিতে চাইছে।

বিজ্ঞাপন

পাপন যোগ করেন, ‘না, এবার গ্যারি কারস্টেন নয়। এবার আমরা নিজেরা বসে আলোচনা করেই নিব। অনেকের মতামত নিতে পারি, কিন্তু সিদ্ধান্ত আমরাই নিচ্ছি। আমরা তো এখনই চাচ্ছি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। যেটা হয়েছে বিশ্বকাপের পরে কয়েকজনের কমিটমেন্ট এখনো শেষ হয়নি। কথা বার্তা বলছি অনেকের সাথেই। ওখান থেকে একটা সংক্ষিপ্ত তালিকা করে নিজেরা পরখ করে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।’

সেই সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পেতে কী কী যোগ্যতা থাকতে হবে? সংবাদ মাধ্যমের করা এমন প্রশ্নে পাপনের উত্তর ছিল, ‘প্রথমত তাদের জাতীয় দলে কোচিংয়ের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, উপ-মহাদেশের কোনো দলের কোচের দায়িত্ব যদি পালন করে থাকে বা তাদের সম্পর্কে কোনো ধারণা থেকে থাকে সেটা আরেকটা বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। বাকিগুলো মোটামুটি স্বাভাবিক থাকবে।’

সবশেষে বিসিবি সভাপতি বললেন কোচের স্থায়ীত্ব নিয়ে, ‘কমপক্ষে চার বছরের নিচে কারো সাথে চুক্তি করব না। আর যাকে নিয়োগ দেব তাকে প্রধানত তিনটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে; ১. দেশে তো বটেই দেশের বাইরেও যাতে করে আমরা ভালো খেলি। ২. জেতার জন্য খেলতে হবে। ৩. র‌্যাংকিং আমাদের পাঁচের মধ্যে এনে দিতে হবে।’

সারাবাংলা/এমআরএফ/এসএস

বিজ্ঞাপন

Tags: , , , ,

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন