বিজ্ঞাপন

কর্নাটককে উড়িয়ে জিতলো বিসিবি একাদশ

July 24, 2019 | 7:23 pm

স্পোর্টস ডেস্ক

ডক্টর কে থিম্মাপ্পিয়া মেমোরিয়াল টুর্নামেন্ট বা মিনি রঞ্জি ট্রফির তৃতীয় ম্যাচে ১০ উইকেটের বিশাল জয় পেয়েছে মুমিনুল হকের নেতৃত্বধীন বিসিবি একাদশ। বিসিবি একাদশের প্রতিপক্ষ ছিল কর্নাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন সেক্রেটারি একাদশ। চার দিনের ম্যাচের তৃতীয় দিন জয় তুলে নেয় বিসিবি একাদশ।

বিজ্ঞাপন

এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে কর্নাটক সেক্রেটারি একাদশ টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে পেসার শহীদুল ইসলাম, এবাদত হোসেন আর আরিফুল হকের বোলিং তোপে অল্পতেই গুটিয়ে যায়। বিসিবি একাদশের বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৪১ ওভারে মাত্র ৭৯ রানে অলআউট হয়ে যায় কর্নাটক সেক্রেটারি একাদশ। বিসিবি একাদশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১০২.৩ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে তুলেছে ৩৩৪ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৪০ রান তুলে অলআউট হয় স্বাগতিক দলটি। বিসিবি একাদশের সামনে জয়ের টার্গেট দাঁড়ায় ৮৫ রান। কোনো উইকেট না হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে সফরকারীরা।

আগের দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছিল। তৃতীয় ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিং নেন বিসিবি একাদশ অধিনায়ক মুমিনুল হক। ইনিংসের তৃতীয় ও নিজের দ্বিতীয় ওভারে জোড়া আঘাত করেন শহীদুল। ওপেনার রোহান কাদামকে বোল্ড করার পর তিনে নামা শিভাম মিশ্রাকে এলবির ফাঁদে ফেলেন। সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়ানো হয়নি স্বাগতিকদের। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে কর্নাটক। কর্নাটক সেক্রেটারি একাদশের হয়ে কেএস দেবায়া সর্বোচ্চ ১৮ রান করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬ রান আসে প্রাভীন দুবের ব্যাট থেকে। অর্জুন ১২ এবং অভিনব মনোহর ১২ রান করেন।

বিজ্ঞাপন

বিসিবি একাদশের পেসার শহীদুল ইসলাম ১৬ ওভার বল করে ৭ মেডেনসহ মাত্র ২০ রান দিয়ে ৫টি উইকেট নিয়েছেন। আরেক পেসার এবাদত হোসেন ১৬ ওভার বল করে ৬ মেডেনসহ ৩৬ রান দিয়ে নিয়েছেন ২টি উইকেট। আর আরিফুল হক ৯ ওভার বল করে ৪ মেডেনসহ ২২ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩টি উইকেট।

নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে বিসিবি একাদশ দলীয় ৬ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায়। ওপেনার সাইফ হাসান করেন ৩ রান। এরপর সাদমান ইসলাম এবং দলপতি মুমিনুল হক দলের রানের চাকা ঘোরানোর দায়িত্ব নিলেও বেশিদূর এগুতে পারেননি। মুমিনুল ব্যক্তিগত ১০ রানে ফিরলেও সাদমান করেন ৫৯ রান। এই জুটিতে আসে ৩৮ রান। সাদমানের ৯৩ বলে সাজানো ইনিংসে ছিল ৯টি চার আর ১টি ছয়ের মার।

চতুর্থ উইকেট জুটিতে অবিচ্ছিন্ন থেকে স্কোরবোর্ডে আরও ৩৯ রান তোলেন জহুরুল ইসলাম অমি এবং নাজমুল হোসেন শান্ত। দিন শেষে জহুরুল ২৮ এবং শান্ত ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন। দ্বিতীয় দিন শান্ত আউট হন ৭২ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে। উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহান করেন ৬৮ রান। কর্নাটকের আমান্দ দুদামানি চারটি আর প্রাভীন দুবে ২টি করে উইকেট তুলে নেন।

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে কর্নাটকের দলটি ৮৫.২ ওভারে ৩৪০ রান তুলে অলআউট হয়। অভিনব মনোহর ১১৭ রান করে আউট হন। রোহান কাদাম করেন ৩৭ রান। ৫৯ রান করেন বিনয় সাগর। বিসিবি একাদশের পেসার এবাদত হোসেন ৮৪ রানে তিনটি আর মুমিনুল হক মাত্র ৫ রানের বিনিময়ে তুলে নেন দুটি উইকেট।

৮৫ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৪.১ ওভারে বিসিবি একাদশ জয় তুলে নেয়। সাদমান ইসলাম ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন। জহুরুল ইসলাম অপরাজিত থাকেন ৩২ রান করে।

সারাবাংলা/এমআরপি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন