মঙ্গলবার ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৯ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৪ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

দুই দফায় আবেদন নামঞ্জুর, উচ্চ আদালতে জামিন চাইবেন মিন্নি

জুলাই ৩০, ২০১৯ | ৫:৪২ অপরাহ্ণ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

বরগুনা: বরগুনায় আলোচিত রিফাত হত্যা মামলায় গ্রেফতার আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান এই আদেশ দেন। এদিন মিন্নির জামিন চেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো আবেদন করা হয়।

আদালতে মিন্নির পক্ষে আইনজীবী মাহবুবুল বারি আসলাম, আইন সালিশ কেন্দ্র (আসক), বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) ও হাইকোর্ট বিভাগ থেকে আসা অন্তত ২০ জন আইনজীবী শুনানি করেন।

আদালত সূত্র জানায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিন্নিকে গ্রেফতারের পক্ষে তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করেন। এর মধ্যে রয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ, হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে আসামিদের সঙ্গে মিন্নির মোবাইল ফোনে যোগাযোগের কল লিস্ট, আদালতে ১৬৪ ধারায় মিন্নির দেওয়া জবানবন্দি। তথ্য-প্রমাণ দেখার পরে আদালত মিন্নির পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য উপস্থাপন করতে বলেন।

বিজ্ঞাপন

শুনানি শেষে আদালত চত্বরে মিন্নির পক্ষের আইনজীবীরা সাংবাদিকদের জানান, শিগগিরই তারা উচ্চ আদালতে মিন্নির জামিন আবেদন করবেন।

এর আগে গত ২১ জুলাই বরগুনা জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে মিন্নির জামিনের আবেদন করা হয়েছিল।

এর আগে যা হয়েছিল

গত ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে মিন্নির স্বামী রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় মিন্নি তার স্বামী বাঁচাতে চেষ্টা করছেন এমন একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। তবে পরে আরও একটি ভিডিও প্রকাশ পায়, যাতে মিন্নির কিছু আচরণ অস্বাভাবিক মনে হয়। পরে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে রিফাত শরীফের পরিবার। তাদের দাবি মিন্নি নিজেই রিফাতের হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ মর্মে মামলাও দায়ের হয়। যার ভিত্তিতে পুলিশ প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মিন্নিকে আটক করে। পরে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে এই মর্মে মিন্নিকে গ্রেফতার দেখায় ও আদালতে হাজির করে রিমান্ড চায়। আদালত ৫ দিনের রিমান্ড দিলে দ্বিতীয় দিনেই মিন্নিকে আদালতে নিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের পরের দিন রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বরগুনা থানায় ১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এ ছাড়া সন্দেহভাজন অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়। মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড গত ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। মামলার এজাহারভুক্ত ৬ আসামিসহ এ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মিন্নিসহ মোট ১০ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ‘মিন্নি কিছু বলতে চেয়েছিলেন, পুলিশ মুখ চেপে ধরে’

সারাবাংলা/এটি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন