বিজ্ঞাপন

ইয়াবায় ফাঁসাতে গিয়ে ফাঁসল নিজেরাই

August 1, 2019 | 8:18 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: পুলিশকে তথ্য দিয়ে ইয়াবা উদ্ধারে নিয়ে যাওয়ার পর তথ্যদাতার হেফাজতেই পাওয়া গেলো এই মাদক। পুলিশ জানিয়েছে, ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে এক ভবন মালিককে ফাঁসাতে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে স্থানীয় ‘কিশোর গ্যাংয়ের’ কয়েকজন সদস্য। এই ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (৩১ জুলাই) গভীর রাতে চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানার কল্পলোক আবাসিক এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে।

গ্রেফতার চারজন হলেন- মো. বাপ্পী (১৯), মো. নিশান (১৮), সিদ্দিকুর রহমান (২০) এবং ইয়াসিন বিন ফয়সাল (১৮)।

বিজ্ঞাপন

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন সারাবাংলাকে বলেন, ‘গ্রেফতার চারজন সদ্য তরুণ। কিশোর বয়সী ও সদ্য তরুণদের নিয়ে গড়ে ওঠা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য তারা। সম্প্রতি তারা কল্পলোক আবাসিক এলাকার ভবন মালিক নজরুল ইসলামের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। কিন্তু ভবন মালিক চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা নজরুলের বাসায় ইয়াবা রেখে তাকে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করে।’

ওসি নেজাম উদ্দিন আরও জানান, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাপ্পী থানায় ফোন করে নজরুলের বাসায় ইয়াবা ব্যবসার তথ্য দেয়। পুলিশ দ্রুত নজরুলের বাসায় অভিযানে যায়। কিন্তু সেখানে তল্লাশির পর কোনো ইয়াবা পাওয়া যায়নি। এ সময় বাপ্পী ও সিদ্দিকুর জোরপূর্বক নজরুলের বাসায় প্রবেশের চেষ্টা করে। গেইটে থাকা পুলিশ তাদের বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তারা পুলিশের সঙ্গেও ধস্তাধস্তি শুরু করে। তখন পুলিশ বাপ্পীর শরীরে তল্লাশি করে পকেটে চার পিস ইয়াবা পায়।

বিজ্ঞাপন

‘এরপর বাপ্পী স্বীকার করেছে- সে নজরুলের বাসায় ইয়াবাগুলো রাখার জন্য জোরপূর্বক সেখানে ঢোকার চেষ্টা করেছিল। পুলিশ বাপ্পী ও সিদ্দিকুরকে আটক করেছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পরিকল্পনায় জড়িত নিশান ও ইয়াসিনকে রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে।’ বলেন ওসি।

গ্রেফতারের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাপ্পী ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরডি/ওএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন