সোমবার ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১১ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

নির্বাচন ঘিরে প্রদর্শক সমিতিতে দ্বন্দ্ব

আগস্ট ৫, ২০১৯ | ৩:৩৭ অপরাহ্ণ

রেজওয়ান সিদ্দিকী অর্ণ


বিজ্ঞাপন

অক্টোবরের ২ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির দ্বি–বার্ষিক সাধারণ নির্বাচন। গেলো মার্চে বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে নতুন করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

প্রদর্শক সমিতির বর্তমান মেয়াদের সভাপতি হিসেবে আছেন ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ। তবে তিনি এবার উক্ত পদে নির্বাচন করবেন না বলে জানা গেছে।

সংগঠনের ভেতরের খবর, প্রদর্শক সমিতিতে বর্তমান সভাপতি ইফতেখার উদ্দিন নওশাদের বিরুদ্ধে স্টান্টবাজি চলছে। আর সেজন্য নওশাদ নাকি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন সংগঠনটির দুই উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাস ও মিয়া আলাউদ্দিনের ওপর!


বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন :  ‘জি-সিরিজ’, ‘অগ্নিবীণা’র দুই শতাধিক গান প্রকাশ


শোনা যাচ্ছে, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী শোয়েব রশিদকে বসানো হবে সভাপতির চেয়ারে। শুধু তাই নয়, সভাপতিকে বাদ দিয়ে বিভিন্ন সাংগঠনিক সভাও আয়োজন করা হচ্ছে।

ঘটনার সত্যতা জানতে ইফতেখার উদ্দীন নওশাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানোর কথা বলেন।

এদিকে দ্বন্দ্বের বিষয়ে সংগঠনটির উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাস বলেন, ‘নওশাদ সাহেব প্রেসিডেন্ট পদ হারানোর ভয়ে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে আমার বিরুদ্ধে বদনাম করছেন। গতবার তাকে সভাপতি বানানোর জন্য সাইফুল ইসলাম চৌধুরীকে বসিয়ে দেই আমি। যার কারণে, আজও সাইফুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে আমার সম্পর্ক ভালো না। নওশাদ তার মেয়াদে সেরকম সাফল্য এনে দিতে পারেননি। যার ফলে আমরা মনে করছি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী শোয়েব রশিদ নতুন কমিটির সভাপতি হওয়ার যোগ্য।’

ফাইল ছবি


তিনি আরও বলেন, ‘নওশাদকে সংগঠনের অনেকে পছন্দ করেন না। যখন তাকে সভাপতি বানালাম তখন সংগঠনের অনেকে বলেছেন, তিনি নাকি পাকিস্তান পন্থী! তবুও সেসব আমলে না নিয়ে তাকে সভাপতি করেছি।’

সুদীপ্ত কুমার দাস জানান, কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সভাপতি হিসেবে নওশাদ নির্বাচন নিয়ে কেনো মিটিং ডাকেননি। তখন জেনারেল সেক্রেটারি বাধ্য হয়ে মিটিং ডাকেন। সেই মিটিংয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য তাকে বলা হলেও তার ফিজিওথেরাপি করতে হবে বলে আসেননি।

অন্যদিকে মিয়া আলাউদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার বলার কিছু নেই। কেউ যদি মনে করেন যে ওমুক আমার বিরুদ্ধে স্টান্টবাজি করছে, তাহলে সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। আমি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে পঞ্চাশ বছর ধরে আছি। এত বছরে কারও বিরুদ্ধে স্টান্টবাজি করিনি। আমি তো নির্বাচনের প্রার্থী নই, সুতরাং আমার তো এসব বিষয়ে নাক গলানোরই কথা না।’

তিনি আরও বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে যদি কেউ কাউকে পছন্দ না করেন তাহলে এমন অভিযোগ করতেই পারেন। দেখুন, এখন এই সময়ে এসে কারও বিরাগ ভাজন হওয়ার প্রশ্ন আসে না। প্রদর্শক সমিতিতে যারা আছেন, তারা সবাই আমার ছোট ভাই।’

উল্লেখ্য, জুন মাসে প্রদর্শক সমিতির নির্বাচনের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সংগঠনের উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাসকে নির্বাচন করা হয়। এছাড়া মাজহারুল ইসলাম ওবায়েদ ও জায়েদ হোসেন নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নির্বাচিত হন।


আরও পড়ুন :  

.   আশরাফ শিশির নির্মাণ করলেন প্রথম টিভি ফিকশন

.   কপিলের প্রথম বেতন ছিল মাত্র ১৫০০!

.   ভেজাল সচেতনতায় ‘চিনিবাবা’


বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরএসও/পিএ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন