বুধবার ১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৯ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৫ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

‘আজ ডাকসু নির্বাচন হলে শোভনকে হঠাতে পারত না নুর’

আগস্ট ৬, ২০১৯ | ১১:০৫ অপরাহ্ণ

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন গত ১১ মার্চের পরিবর্তে এখন অনুষ্ঠিত হলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনই ডাকসু’র সহসভাপতি (ভিপি) পদে জয় লাভ করতেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, আমি জানি না কথাটি অত্যুক্ত হবে কি না। আমি বিশ্বাস করি, যদি সেদিন না হয়ে ডাকসু নির্বাচন আজকে হতো, নুরের (ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর) সাধ্য ছিল না শোভনকে ভিপি থেকে হঠানোর। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকেই (শোভন) আজ ডাকসুর ভিপি হিসেবে বেছে নিত।

মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) পায়রা চত্বরে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুর রহমান এ কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছয় পলাতক আসামির প্রতীকী ফাঁসি দেওয়া উপলক্ষে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে ছাত্রলীগ। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে ভিপি নুরের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আজ ডাকসুর ভিপি হিসেবে, সার্বজনীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে সার্বজনীন চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ যদি ঘটাতে না পারেন; এই সার্বজনীন চরিত্র যদি না থাকে; তাহলে আপনি সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের কাছে সমাদৃত হতে পারবেন না। বরং আপনি ঘৃণিত হবেন এবং এটাই হবে আগামী দিনের জিহাদ।’

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িত পলাতক ছয় আসামীর প্রতীকী ফাঁসি, আলোচনা সভা ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর এই কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন ডাকসুর স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক সাদ বিন কাদের চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন।

এর আগে, গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর জয়ী হন। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি শোভন ওই নির্বাচনের নুরের কাছে প্রায় দুই হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরে যান।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/কেকে/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন