সোমবার ১৯ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ৪ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৭ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী

বিজ্ঞাপন

শিক্ষার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে তরুণদের ১২ দফা প্রস্তাব

আগস্ট ৭, ২০১৯ | ২:৪৯ পূর্বাহ্ণ

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট

শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১২ দফা প্রস্তাব জানিয়েছেন বিভিন্ন তরুণ সংগঠনের প্রতিনিধিরা। মঙ্গলবার (০৬ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) সামনে এক মানববন্ধনে এই প্রস্তাবগুলো তুলে ধরা হয়। ‘আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০১৯’ উপলক্ষে টিআইবি এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

মানববন্ধনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এবং বিভিন্ন তরুণ সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির বিষয়টিকে শুধুমাত্র সাময়িকভাবে দেখলে চলবে না। এইক্ষেত্রে জাতীয় কৌশলপত্র প্রণয়ন করতে হবে। যে কৌশলের মধ্যে স্বল্প, মধ্যম, দীর্ঘমেয়াদী দিক নির্দেশনা থাকবে। একই সঙ্গে সুনির্দিষ্ট সময় আবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে। যার মাধ্যমে আমরা সত্যিকার অর্থে আমাদের বর্তমান তরুণদের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ তরুণ প্রজম্মকে প্রয়োজনীয় যোগ্যতার সাথে, আন্তর্জাতিকভাবে, জাতীয়ভাবে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার মতো পরিবেশ সৃষ্টির জায়গায় যেতে পারি।’

২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে তরুণদের ভূমিকার কথা টেনে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘২০৩০ এর সাফল্য যেমন তরুণদের উপর নির্ভর করে এর ব্যর্থতার দায়ও কিন্তু তরুণদের উপর বর্তাবে। কাজেই যদি আমরা সাফল্য সত্যিকার অর্থে অর্জন করতে চাই টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ঠে সেইখানে যেমন অংশগ্রহণমূলক উন্নয়নের কথা বলা হচ্ছে, সেই অংশগ্রহণমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে আমাদের তরুণ প্রজম্মকে টেকসই উন্নয়ন প্রক্রিয়ার মধ্যে সম্পৃক্ত করতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে তরুণ প্রতিনিধিদের উত্থাপিত দাবিগুলো হলো- শিক্ষার কৌশল নির্ধারণ করা; সে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় বাজেট ও সময়োপযোগী অবকাঠামো নির্মাণ; সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের অসঙ্গতি নিয়ে তরুণ সমাজের নির্বিঘ্নে তাদের মতামত প্রকাশ ও প্রতিবাদ করার আইনি অধিকার চর্চা নিশ্চিত করা; তরুণরা যাতে টেকসই উন্নয়ন অভীষষ্ঠ (এসডিজি) বাস্তবায়নে সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে পারে তা নিশ্চিত করা; শিক্ষার গুণগত পরিবর্তন ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ে প্রয়োজনীয় কারিকুলাম ও জনবলসহ প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সমন্বিত উদ্যোগ; বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া; সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার সুযোগ বাড়ানো, তরুণ উদ্যোক্তাদের অর্থায়নের পাশাপাশি আইনি সহায়তা; গুণগত শিক্ষা বিকাশে গবেষণা খাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করা; তরুণ উদ্যোক্তাতের জন্য বাজার সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা হিসেবে আত্ম প্রকাশের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা; যুব উন্নয়ন নীতিমালার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা; সরকারি-বেসরকারি সকল ক্ষেত্রে চাকরিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া দুর্নীতিমুক্ত করে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সহযোগিতার ক্ষেত্র নিশ্চিত করা।

সারাবাংলা/কেকে/এমআরপি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন