বৃহস্পতিবার ২২ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ৭ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২০ জিলহজ, ১৪৪০ হিজরি

বিজ্ঞাপন

ভারতজুড়ে গুগল সার্চে শীর্ষে ‘কাশ্মীরি মেয়েরা’

আগস্ট ৮, ২০১৯ | ১:৪২ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাশ্মীরিদের বিশেষ অধিকার সংবলিত সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের পর নানাভাবে গুগল সার্চে এক নম্বরে উঠে এসেছে কাশ্মীর। তবে কাশ্মীরি মেয়েদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি সার্চ হয়েছে। মূলত দুটি কি-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করা হচ্ছে। সেখানে রয়েছে ‘কাশ্মীরি গার্ল’ ও ‘ম্যারি কাশ্মীরি গার্ল’।

কাশ্মীর ইস্যুতে জাতিসংঘের ‘গভীর উদ্বেগ’

৩৭০ ধারা বিলোপের সুবিধা সম্পর্কে বলতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বিধায়ক বিক্রম সিং বলেছিলেন, ‘দলের কর্মীরা উৎফুল্ল, বিশেষ করে যারা অবিবাহিত। এবার ফর্সা কাশ্মীরি মেয়েদের সঙ্গে তাদের বিয়ে দেওয়া যাবে।’

এই মন্তব্যের জন্য রীতিমতো সমালোচিত হতে হয়েছে বিক্রম সিংকে। কিন্তু গুগল বলছে, একা বিক্রমকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। গোটা দেশেই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে কাশ্মীরি মেয়েদের নিয়েই। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অবিবাহিত পুরুষরা কাশ্মীরি মেয়েদেরই নিজেদের জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

বিজ্ঞাপন

গুগল সার্চের এই প্রবণতা বলছে, ৩৭০ ধারা বিলোপের পর কাশ্মীরি মেয়েদের সহজলভ্য ভাবতে শুরু করেছেন অনেকেই। তাদের ধারণা, ৩৭০ ধারা চালু থাকার জন্য কাশ্মীরি মেয়েদের অন্য রাজ্যের পুরুষদের বিয়ে করার অধিকার ছিল না। সেটা আদতে সত্যি নয়, আগেও কাশ্মীরি মেয়েরা অন্য রাজ্যের পুরুষদের বিয়ে করতে পারত। কিন্তু সেক্ষেত্রে মুশকিল ছিল, অন্য রাজ্যে বিয়ে করলে কাশ্মীরি মেয়েদের নাগরিকত্ব হারাতে হত, একই সঙ্গে বাবা-মায়ের সম্পত্তির ওপর তাদের অধিকারও থাকত না। কিন্তু, এখন আর সেসব বাধা নেই। একবার কাশ্মীরি মেয়েকে বিয়ে করতে পারলেই রাজত্বসহ রাজকন্যার হাতছানি। আর তাতেই মজেছেন নেটিজেনরা।

অনেক পুরুষের ফ্যান্টাসিতেই যে কাশ্মীরি কন্যারা আনাগোনা করে সেকথা অবশ্য বলাই বাহুল্য। কোথাও যেন সেই ফ্যান্টাসি আর বাস্তবের মাঝে দেওয়াল তুলে রেখেছিল ৩৭০ ধারা। সেই দেওয়াল ভেঙে পড়তেই ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে ভারতীয় পুরুষদের। গুগলে ‘ম্যারি কাশ্মীরি গার্ল’ লিখে সবচেয়ে বেশি সার্চ করেছেন তথাকথিত শিক্ষিত রাজ্য কেরালার পুরুষরা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কর্ণাটক। তার পরেই রয়েছে দিল্লি, মহারাষ্ট্র এবং তেলেঙ্গানা। তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে পশ্চিমবঙ্গ। সপ্তম ও অষ্টম স্থানে যথাক্রমে তামিলনাডু ও উত্তরপ্রদেশ।

সারাবাংলা/এমআই

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন