সোমবার ২৬ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ১১ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৪ জিলহজ, ১৪৪০ হিজরি

বিজ্ঞাপন

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ঠাকুরগাঁওয়ের আবেদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ

আগস্ট ৮, ২০১৯ | ৩:৪৭ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীর আবেদ হোসেনের (৬৫) বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদনটি প্রসিকিউশন বরাবর দাখিল করবে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান।

এ সময় তদন্ত সংস্থার জ্যেষ্ঠ সদস্য সানাউল হকসহ তদন্তকারী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এটি তদন্ত সংস্থার ৭৩তম প্রতিবেদন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আব্দুল হান্নান খান বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী থানার বোবড়া এলাকার আবু তৈয়বের ছেলে আবেদ হোসেন (৬৫)। তাকে চলতি বছরের ২৫ জুন গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকলীন হত্যা, গণহত্যা, আটক, অপহরণ, নির্যাতন ও জোরপূর্বক শ্রমের মোট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের মে মাসের শেষের দিকে বালিয়াডাঙ্গী থানার আধারিদিঘীর পাড়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসর স্থানীয় রাজাকার আবেদ হোসেনসহ অন্য রাজাকাররা আধারদিঘীর পাশের বোবড়া ও অন্যান্য গ্রাম থেকে সাত জন নিরীহ মানুষকে ধরে এনে বাংকার তৈরির জন্য জোর করে মাটি খনন করায়। তারা এ কাজ করতে না চাইলে আবেদ ও তার সহযোগীরা তাদের নির্যাতন করে কাজে যেতে বাধ্য করত।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও রাজাকারদের অবস্থান সম্পর্কে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজ-খবর দিয়ে সহায়তা করার কারণে পবেদ আলী, দুমপেল ও মজনুকে তীরনই নদীর পাড়ে ধরে নিয়ে গিয়ে গুলি করে পানিতে ফেলে দেয়। ওই ঘটনায় পবেদ আলী হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে উদ্ধার হলেও বাকি দু’জনের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

তৃতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, আহত পবেদ আলীকে আবার ধরে নিয়ে তীরনই নদীর পাড়ে নিয়ে গুলি করে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। পবেদ আলীর লাশের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ আসামির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই থেকে তদন্ত শুরু হয়। আসামির রাজনৈতিক পরিচয়ে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সারাবাংলা/এজেডকে/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন