বুধবার ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ১ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ সফর, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

মিনায় যাচ্ছেন মুসল্লিরা, হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

আগস্ট ৮, ২০১৯ | ৪:২১ অপরাহ্ণ

সেলিম আহমেদ, সৌদি আরব

ঢাকা: সৌদি আরবে অবস্থানরত হজযাত্রী মুসল্লিরা বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) থেকে ইহরাম বেঁধে মিনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন। পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রায় ২৫ লাখ মুসল্লি মিনায় সমবেত হবেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে আসা হাজির সংখ্যা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৫২ জন।

মিনায় যাত্রার মধ্য দিয়ে হজের মূল কাজ শুরু হয়েছে, যা শেষ হবে জিলহজের ১১ তারিখে। মক্কা থেকে মিনার দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। হজপালনকারীদের জন্য মিনায় অবস্থান করা সুন্নত। মিনায় মুসল্লিরা ৮ জিলহজ জোহর থেকে ৯ জিলহজ ফজরসহ মোট পাঁচ ওয়াক্ত আদায় করবেন। মিনায় হাজিদের রাত কাটানোর জন্য আলাদা আলাদা তাঁবু রয়েছে।

মিনাকে বলা হয় তাবুর শহর। তাবুর শহর বলা হয়। এটি মক্কা প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত ও মক্কার পার্শ্ববর্তী একটি এলাকা। মক্কা থেকে আরাফাতের ময়দানের দিকে যাওয়ার মহাসড়কের পাশে মিনার অবস্থান। মিনার আয়তন প্রায় ২০ বর্গকিলোমিটার। হজপালনের অংশ হিসেবে হজপালনকারীদের মিনায় অবস্থান করতে হয়। হজপালনকারীদের জন্য মিনায় প্রায় ১ লাখ অস্থায়ী তাঁবু স্থাপন করা হয়েছে। এসব তাঁবুতে হজযাত্রীরা অবস্থান করে হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। প্রত্যেক তাঁবুর আলাদা নম্বর দেওয়া রয়েছে। স্থাপিত তাঁবুর সবই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।

মিনায় হজপালনকারীরা ৮ জিলহজ রাত থেকে আরাফাতের ময়দানে চলে যাবেন ৯ জিলহজ। ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে অবস্থান শেষে মুজদালিফায় রাতযাপন করবেন। মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন শেষে ১০ জিলহজ তারিখে এখান থেকে ছোট ছোট কঙ্কর সংগ্রহ করে পুনরায় মিনায় গিয়ে শয়তানকে (জামারায়ে উকবা) কঙ্কর নিক্ষেপ করে কোরবানি শেষে মাথা মুণ্ডিয়ে ইহরাম খুলবেন।

বিজ্ঞাপন

এরপর মক্কায় এসে তাওয়াফে জিয়ারত (তাওয়াফ ও সায়ি) শেষে আবার মিনায় যেয়ে ( ছোট, মধ্যম ও বড়) শয়তানকে কঙ্কর নিক্ষেপ করতে হবে হাজিদের। এটি হজের ওয়াজিব আমল। মিনায় অবস্থান, কোরবানি, শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের জন্য মিনায় এই কয়দিন খুব ভিড় থাকে। মিনায় বাদশাহর বাড়ি, রয়েল গেস্ট হাউজ, মসজিদ, হাসপাতাল ও বিভিন্ন অফিস রযেছে। মিনায় রেলস্টেশন আছে ৩টি।

মিনার সীমানা হলো— পূর্ব ও পশ্চিম দিক থেকে মুহাসসার উপত্যকা ও জামরা ‘আকাবা ও মধ্যবর্তী’ স্থান। আর উত্তর ও দক্ষিণ দিক থেকে দু’পাশের সুউচ্চ দু’টি পাহাড়। সাধারণত হাজিরা মক্কা থেকে মিনায় সড়কপথে যান। তবে ট্রেনে যাওয়ারও ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এ জন্য আগে থেকে ব্যবস্থা করে রাখতে হয়।

সারাবাংলা/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন