বুধবার ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ১ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ সফর, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

‘কাঁচা চামড়া রফতানি ট্যানারি শিল্পে প্রতিকূল প্রভাব ফেলবে’

আগস্ট ১৪, ২০১৯ | ৮:০৯ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: কাঁচা চামড়া রফতানি করার সরকারি সিদ্ধান্তকে চামড়া শিল্পের জন্য অশনি সংকেত বলে মনে করছে বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিএফএলএলএফইএ)। একই সঙ্গে কাঁচা চামড়া রফতানি ট্যানারি শিল্পে প্রতিকূল প্রভাব ফেলবে, এতে অনেক শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বেন বলেও জানান তারা।

বুধবার (১৪ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএফএলএলএফইএ’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. দিলজাহান ভুইয়া এসব কথা বলেন। এ সময় সংগঠনের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ টিপু সুলতান, সদস্য এম এ মাজেদ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে মো. দিলজাহান ভুঁইয়া বলেন, ‘নানা কারণে লেদার সেক্টর আজ বিপর্যয়ের মুখোমুখি। হাজারীবাগ থেকে সাভারে চামড়া শিল্পনগরী স্থানান্তরের কারণে দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ থাকে। এতে বিদেশি ক্রেতারা এখান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। সরকার সিইটিপি যথাযথভাবে কার্যকর না করায় পরিবেশবান্ধব লেদার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এই অবস্থায় কাঁচা চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত এই খাতের জন্য অশনি সংকেত। মৌসুমী ব্যবসায়ী ও মধ্যস্বত্বভোগীদের স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবে।’

তিনি বলেন, ‘চামড়া শিল্প নগরীতে কারখানা ভবন নির্মাণ, যন্ত্রপাতি আমদানিসহ এই খাতে উদ্যেক্তারা বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছেন। তারপরও সরকার বেঁধে দেওয়া দামে লবণযুক্ত কাঁচা চামড়া ক্রয় করতে আমরা সম্মত।’

বিজ্ঞাপন

‘সাভারে স্থানান্তরিত ট্যানারিসমূহ পুরোপুরি চালু হলে দেশের কাঁচা চামড়া ট্যানারিসমূহের চাহিদার মাত্র ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ চাহিদা পূরণে করতে পারবে। তখন বিদেশ থেকে কাঁচা চামড়া আমদানি করতে হবে। এই অবস্থা কাঁচা চামড়া রফতানির সরকারি সিদ্ধান্ত ট্যানারি শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে’, বলেন তিনি।

চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত ট্যানারি শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য: রিজভী

এক প্রশ্নের জবাবে মো. দিলজাহান ভুইয়া বলেন, ‘কাঁচা চামড়ার মূল্য এবার অস্বাভাবিক হারে কমে যাওয়ায় ট্যানারিসমূহের কোনো ভূমিকা নেই। কারণ ট্যানারিসমূহ কোরবানির ১০/১৫ দিন পরে লবণযুক্ত কাঁচা চামড়া ক্রয় করে থাকে।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কাঁচা চামড়া রফতানি করা হলে মৌসুমী ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কোনো উপকার হবে না বরং মধ্যস্বত্বভোগীদের মুনাফার পরিমাণ বাড়বে।’ তবে মধ্যস্বত্বভোগী কারা, বারবার এই প্রশ্ন করা হলেও এর কোনো উত্তর দেননি তিনি।

সারাবাংলা/জিএস/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন