বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৪ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

বিমানবন্দরে নেমেই গ্রেফতার শিল্পপতির ‘ঋণখেলাপি স্ত্রী’

আগস্ট ১৯, ২০১৯ | ৮:৫৮ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: কানাডা থেকে দেশে ফিরে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই গ্রেফতার হয়েছেন চট্টগ্রামের এক শিল্পপতির স্ত্রী মেহেরুন নেছা (৫০)। খেলাপি ঋণের ৯ মামলায় তাকে গ্রেফতারের পর ইমিগ্রেশন পুলিশ চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে গ্রেফতারের পর মেহেরুন নেছাকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রনব চৌধুরী।

মেহেরুন নেছা চট্টগ্রাম নগরীর ফিরিঙ্গিবাজারের নবী দোভাষের মেয়ে। তিনি বাগদাদ গ্রুপের চেয়ারম্যান ফেরদৌস খান আলমগীরের স্ত্রী। তার চাচা জহিরুল আলম দোভাষ চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান। খুলশী থানার জাকির হোসের সড়কের পূর্ব নাসিরাবাদ এলাকার তানভীর হাউজে মেহেরুন নেছাদের বাড়ি।

ওসি প্রনব চৌধুরী সারাবাংলাকে বলেন, ‘খেলাপি ঋণের তিন মামলায় মেহেরুন নেছার সাজা হয়েছে। সাজামূলে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে। আরও ছয়টি মামলায় তার বিরুদ্ধে নিয়মিত পরোয়ানা আছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কানাডায় বসবাস করছিলেন। আমরা তার বিরুদ্ধে পরোয়ানার বিষয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশকে চিঠি দিয়েছিলাম। বিমানবন্দরে অবতরণের পর ইমিগ্রেশনে তাকে আটক করা হয়।’

বিজ্ঞাপন

এদিকে, বাগদাদ গ্রুপের চেয়ারম্যানের স্ত্রী হলেও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মেহেরুন নেছার কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তানভীর খান।

তিনি সারাবাংলাকে বলেন, ‘তিনি (মেহেরুন নেছা) আমাদের শিল্প প্রতিষ্ঠানের কোনো পদে নেই। আমাদের প্রতিষ্ঠানের জন্যও তিনি কোনো ঋণ নেননি। ব্যক্তিগত কাজে তিনি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। আমি যতদূর জানি, ফ্ল্যাট কেনার জন্য তিনি দেড় কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। সেই ঋণের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পর্ক নেই।’

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড নামে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে আসামি মেহেরুন নেছা তার ব্যক্তিগত শাফিয়াল ট্রেডিং নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ নিয়েছিলেন। ঋণের সুদসহ ৫ কোটি ৪০ লাখ ২০ হাজার ৬৭৫ টাকা পাওনা না দেওয়ায় মেহেরুন নেছার নামে প্রতিষ্ঠানটি আদালতে ৯টি মামলা করেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরডি/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন