বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৪ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

ছেলে অমিত কুমার লিখবেন কিশোর কুমারের না বলা জীবন

আগস্ট ২২, ২০১৯ | ৪:৪০ অপরাহ্ণ

এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক

সংগীতশিল্পী, সংগীত পরিচালক, গীতিকার, অভিনেতা, চলচ্চিত্রকারসহ বহুগুণে বিশেষায়িত ছিলেন কিশোর কুমার গাঙ্গুলি। যার কণ্ঠস্বর শ্রোতাদের মন জয় করেছে বারবার। জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পীর জীবনী লিখতে প্রস্তুতি নিয়েছেন ছেলে অমিত কুমার গাঙ্গুলি।

বিজ্ঞাপন

এরইমধ্যে অমিত তার বাবার সম্পর্কে যেসব তথ্য প্রকাশ করেছেন, তা এর আগে কোথাও প্রকাশিত হয়নি। তাই দর্শক, শ্রোতা, ভক্ত ও সাধারণ মনুষদের মাঝে নতুন করে আগ্রহের জন্ম দিয়েছে এই উদ্যোগ।

এর আগে কিশোর কুমারের বায়োপিক নির্মাণ করার জন্য বলিউড অভিনেতা রণবীর কাপুরের সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন ‘বারফি’ খ্যাত পরিচালক অনুরাগ বসু। তবে এই প্রকল্পটি আপাতত বন্ধ রয়েছে।


আরও পড়ুন :  নেটফ্লিক্সের সুপারহিরো হয়ে আসছেন প্রিয়াংকা


বিজ্ঞাপন

একটি ব্যবসায়িক সূত্র বলছে, কিশোর কুমার একজন গায়ক ছাড়াও মানুষ হিসেবে ছিলেন অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও দয়ালু। তার জীবনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন সম্পর্কে অবগত তার বড় ছেলে কণ্ঠশিল্পী ও অভিনেতা অমিত কুমার। তাই কিশোর কুমারের জীবনী সম্পর্কে অমিত কুমারই একমাত্র উত্তম ব্যক্তি, যিনি এই কাজটি সবচেয়ে ভালো করতে পারবেন।

২০০৮ সালে সনি এন্টারটেইনমেন্ট টেলিভিশনের রিয়েলিটি মিউজিক শো ‘কে ফর কিশোর’-এর প্রধান বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অমিত কুমার। এছাড়াও তার নিজস্ব সংগীত প্রযোজনা সংস্থা কুমার ব্রাদার্স মিউজিকের মাধ্যমে কিশোর কুমারের গাওয়া সত্তর দশকের বলিউডে এবং আঞ্চলিক চলচ্চিত্রের গান প্রকাশ করেন তিনি। বাবার সঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবিতে কাজ করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।

আমিত কুমার তার বাবার বিবাহিত জীবন সম্পর্কে কিছু তথ্য দিয়েছেন। যে তথ্যের মধ্যে ভারতের কয়েকজন সুন্দরী অভিনেত্রীর নামও রয়েছে। রুমা গুহ ঠাকুরতা (অমিত কুমারের মা), মধুবালা, যোগিতা বালি এবং লীনা চন্দাবরকরের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন কিশোর কুমার।

অমিত কুমারের সৎ ভাই সুমিত কুমার (লীনা চন্দাবরকরের ছেলে) ও সংগীত পরিচালক-গায়ক বাপ্পি লাহিড়ীও জীবনী লেখার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অমিত কুমার।

অমিত কুমার এ বিষয়ে জানিয়েছেন, বইটি হবে কিশোর কুমারের জীবনীর ওপর গবেষণার ভিত্তিত্তে। তাই জীবনী প্রকাশের কোন তাড়াহুড়া নেই বরং নিজেই কয়েকছর ধরে গবেষণা করতে চান অমিত। যার মাধ্যমে কিশোর কুমারের যথাযথ সম্মান ও আবেগকে সংরক্ষণ করা যায়।

একইসঙ্গে এই বইয়ের মাধ্যমে কলঙ্কজনক অধ্যায়গুলো যেন সবার সামনে পরিস্কার হয়, সেই চেষ্টা করা হবে। তাই কিশোর কুমারের বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের সঙ্গে কথা বলে একটি তথ্য ভিত্তিক এবং সূক্ষ্ম গবেষণার ওপর নির্ভর করেই প্রকাশ হবে বইটি।

অমিত কুমার নিজে তার বাবা পরিচালিত ও অভিনীত অনেক ছবিতে অভিনয় করেছিলেন, যার মধ্যে রয়েছে ‘দূর গাগান কি চাও মে (১৯৬৪), দূর কি রাহি (১৯৭১), বাধিতা ক্য নাম দাধি (১৯৭৮), সাব্বাস ড্যাডি (১৯৭৯) এবং চলতি কা নাম জিন্দেগি ( ১৯৮২)।

এছাড়াও কিশোর কুমারের মৃত্যুর পর অমিত কুমার পরিচালক হিসেবে ‘মমতা কি চাও মে’ চলচ্চিত্রটি সম্পূর্ণ করেছিলেন।


আরও পড়ুন :  

.   মেহজাবিন অভিনয় ছাড়বেন, তবে…

.   ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন হলিউড’ ঢাকায় শুক্রবার থেকে

.   ‘মানসম্মত ও গল্পনির্ভর চলচ্চিত্র নির্মাণের তাগিদ অনুভব করছি’


বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/ফাআ/পিএ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন