শনিবার ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ৩০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

অ্যামাজনের আগুনে ‘পুড়তে পারে’ ইইউ-দ. আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি

আগস্ট ২৩, ২০১৯ | ১০:২৪ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

দাবানলে পুড়ে ছারখার হচ্ছে ব্রাজিলের রেইন ফরেস্ট; পৃথিবীর ফুসফুসখ্যাত অ্যামাজন। তবে আগুনের দায় নিতে নারাজ ব্রাজিলের বলসোনারো সরকার। কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রভাবশালী সদস্য ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাখোঁ মনে করেন, অ্যামাজনের এত বড় ক্ষতির পেছনে রয়েছে খোদ সেদেশের সরকারের উদাসীনতা। আর ফ্রান্সের সঙ্গে জোট বেঁধেছে আয়ারল্যান্ডও। দেশদুটি বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নিলে ইইউর সঙ্গে দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর বাণিজ্য চুক্তিতে সমর্থন দেবে না তারা।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) এসব তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রসঙ্গত, ২০ বছরের চেষ্টার পর চলতি বছর দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়ের সঙ্গে ইইউর বাণিজ্য চুক্তি বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। এতে দুপক্ষ বাণিজ্য শুল্ক বিষয়ে আপোষে আসে।

বিজ্ঞাপন

অ্যামাজনে দাবানল ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেলসহ অন্যান্য ইউরোপীয় নেতারা ইতোমধ্যে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বরিস জানান, পৃথিবীর বৃহত্তম এই রেইনফরেস্টে আগুনের ঘটনায় তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। প্রকৃতির মর্মান্তিক ক্ষতি হচ্ছে।

মের্কেলে পরিস্থিতিকে গুরুতর উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বিষয়টি শুধু ব্রাজিলের জন্য নয় অন্যদেশগুলোর জন্যও হুমকি।

এদিকে বলসোনারো শুক্রবার বলেছেন, আগুন নেভাতে তিনি সেনাবাহিনীর সাহায্য নেওয়ার কথা ভাবছেন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে বলসোনারো ক্ষমতায় আসার পর অ্যামাজন জঙ্গলে ৭৫ হাজারেরও বেশিবার দাবানলের ঘটনা ঘটে। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৮৪ শতাংশ বেশি।

পরিবেশবাদী ও সংরক্ষণবাদীদের মতে, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট পরিবেশ সংরক্ষণের চেয়ে উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন নীতি গ্রহণ করার ফলেই অ্যামাজনের এমন পরিণতি।

আরও পড়ুন- ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ পুড়ছে

আরও পড়ুন- অ্যামাজনের আগুন নিয়ন্ত্রণের সাধ্য নেই ব্রাজিলের

আরও পড়ুন:- পুড়ছে অ্যামাজন, বাড়ছে উদ্বেগ

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এনএইচ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন