রবিবার ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ১ পৌষ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৭ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

৮ মাসেও গেজেট হয়নি মাদক আইনের, হাইকোর্টের ক্ষোভ

আগস্ট ২৫, ২০১৯ | ৬:১১ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: জাতীয় সংসদে আইন পাস হয়ে আট মাস পেরিয়ে গেলেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধান অনুযায়ী মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল স্থাপন না করা এবং এ সংক্রান্ত অপরাধের বিচারের জন্য জেলা জজ বা দায়রা জজকে দায়িত্ব দিয়ে গেজেটও প্রকাশ না করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিজ্ঞাপন

আদালত বলেছেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। মাদক আইনের ৮মাস পেরিয়ে গেলেও গেজেট না হওয়া দুঃখজনক।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এক আসামির জামিন শুনানির মামলায় রোববার (২৫ আগস্ট) এ মন্তব্য করেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

এ সময় আদালত আরও বলেন, এক শিশু আইন সংশোধন করতে লেগেছে দুই, আড়াই বছর। তারপরও আমরা আশায় রইলাম। আগামী ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত মুলতবি রাখলাম। আশা করছি ১৩ অক্টোবর অ্যাটর্নি জেনারেল এ বিষয়ে একটা ভালো খবর দেবেন।

বিজ্ঞাপন

দীর্ঘদিনেও গেজেট না হওয়ায় এর আগে গত ৮ জুলাই স্বরাষ্ট্র সচিব ও আইন সচিবকে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন এ আদালত।

১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন রদ করে গত বছর ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮’ শিরোনামে নতুন আইন করে সরকার। আইনটি গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর কার্যকর হয়। এই আইনের ৪৪ ধারায় এ সংক্রান্ত অপরাধ বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া ট্রাইব্যুনাল স্থাপন না হওয়া পর্যন্ত সরকার গেজেটে প্রজ্ঞাপন দিয়ে যেকোনো জেলা জজ বা দায়রা জজকে তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব দিতে পারবেন বলে উল্লেখ আছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বংশাল থানায় দায়ের করা এক মামলায় মাসুদুল হক মাসুদ নামের এক আসামির জামিন আবেদনের শুনানিতে আইনের ওই বিধানের বিষয়টি নজরে এলে হাইকোর্ট ওই আদেশ দেন। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি নতুন ওই আইনে মাসুদের বিরুদ্ধে বংশাল থানায় মামলাটি করে পুলিশ।

আদালতে জামিন আবেদনকারী মাসুদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আল ফয়সাল সিদ্দিকী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এজেডকে/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন