রবিবার ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১০ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

বঙ্গবন্ধুর নান্দনিক দিক হলো তার মানবিকতা: কৃষিমন্ত্রী

আগস্ট ২৯, ২০১৯ | ২:৫৪ পূর্বাহ্ণ

ঢাবি করেসপনডেন্ট

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানুষের কল্যাণ ও মঙ্গলের কথা চিন্তা করতেন। তার জীবনের নান্দনিক দিকগুলোর মধ্যে মানবিকতা সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। একথা  জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৮ আগস্ট) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মিলনায়তনে এক স্মারক বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘বঙ্গবন্ধুর নান্দনিক ভাবনা’ প্রতিপাদ্যে ছাত্রলীগ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মানুষের কল্যাণ ও মঙ্গলের জন্য ছিল বঙ্গবন্ধুর চিন্তা। মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তার আন্দোলন-সংগ্রাম ছিল। তিনি ছিলেন উদার মানবিক গুণসম্পন্ন।

বঙ্গবন্ধুর দূর-দৃষ্টি সম্পন্ন নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে আব্দুর রাজ্জাক জানান, ‘বঙ্গবন্ধুর বয়স তখন ছিল ২৮ বছর। ২৮ বছর বয়সে যিনি পাকিস্তানের পক্ষে আন্দোলন করেছেন, মুসলিম লীগের মিছিল নিয়ে ট্রেনে করে সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে কলকাতা থেকে দিল্লি গিয়েছেন, রাস্তায় রাস্তায় বক্তৃতা করেছেন। সেই বঙ্গবন্ধু মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিলেন, যে পাকিস্তান হতে যাচ্ছে, পশ্চিম পাকিস্তান-পূর্ব পাকিস্তান, এক হাজার মাইলের ব্যবধানে, সেই দেশে বাংলার মুক্তি মিলবে না। পাকিস্তানি সামন্তবাদী শোষকরা শস্য-শ্যামলা এই দেশকে শোষণ করে মরুভূমি পাকিস্তানকে সবুজ বানাবে। তাই তিনি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই জন্যই আমরা বলি, ছাত্রলীগের ইতিহাস এই দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস।’

বিজ্ঞাপন

স্মারক বক্তা বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বঙ্গবন্ধুর জীবনের বিভিন্ন নান্দনিক বিষয় নিয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন অসাধারণের মধ্যে একজন সাধারণ মানুষ। তিনি সক্রেটিস, রবীন্দ্রনাথের মতো নান্দনিক এক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি তার রাজনীতি, সমাজ ও অর্থনীতিতে সত্য ও সুন্দরকে বেছে নিতেন। বঙ্গবন্ধু সারাজীবন প্রতিবাদ করে গেছেন শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে।’

তিনি বলেন, ‘একজন মানুষকে সবচেয়ে সুন্দর মনে হয়, যখন তিনি স্বদেশের, স্বজাতির জন্য লড়াই করেন। যখন তিনি আপামর জনসাধারণের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেন। এ শুধু একজন মানুষের সৌন্দর্যবোধ নয়, একজন নেতার সৌন্দর্য নয়, এটা সমগ্র মানবতার সৌন্দর্যবোধ। আর বঙ্গবন্ধু সমগ্র মানবতার সৌন্দর্য প্রকাশ করেছেন। কারণ একজন মানুষের মধ্যেই কখনও কখনও সমগ্র মানবতার প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইনসহ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও শাখার বিভিন্ন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/কেকে/এনএইচ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন