বিজ্ঞাপন

বেঁচে থাকলে জিয়া হতেন বঙ্গবন্ধু হত্যায় ৩ নম্বর আসামি: আইনমন্ত্রী

August 29, 2019 | 4:44 am

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমান সবচেয়ে বেশি সুবিধা ভোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বেঁচে থাকলে জিয়াউর রহমান এই হত্যা মামলায় ৩ নম্বর আসামি হতেন, এমনটাই জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৮ আগস্ট) সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ আয়োজিত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, যখন বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চার্জ রুজু করা হয়, দেখা যায় জিয়াউর রহমানের নাম পাতায় পাতায়। কিন্তু তার সৌভাগ্য তখন তিনি জীবিত ছিলেন না। তা না হলে এই মামলার তিন নম্বর আসামি হতেন জিয়াউর রহমান।

বিজ্ঞাপন

আনিসুল হক আরও বলেন, ফারুক, রশিদকে জিয়াউর রহমানের আমলে দেশের বাইরে রাখার পরিকল্পনা ছিল। এমন ঘটনাও জানি, তাদেরকে ধরে মাসের পর মাস ক্যান্টনমেন্টে রেখে দিয়েছে। একবারও জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যায় মামলা করে বিচার করেন নাই। এতে এটাই প্রমাণ করে জিয়াউর রহমান এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এরপর এরশাদ সাহেবও তাই করেছেন।

বিএনপি বাংলাদেশ চায়নি উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, তারা এখনও বাংলাদেশ চায় না।

জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশকে যে উচ্চতায় নিয়ে গেছেন এটা বিএনপির কাছে চক্ষুশূল বলেও উল্লেখ করেন আনিসুল হক।

আইনমন্ত্রী আরও জানান, ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের হত্যার নেপথ্যে যারা ছিলেন তাদেরকে খুঁজে বের করতে তিনি একটা কমিশন গঠন করবেন। এই কমিশনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন শেখ হাসিনা এবং তার মন্ত্রিপরিষদ।

আনিসুল হক বলেন, এটা একটা বিশেষায়িত কমিশন হবে। এই কমিশন ১৯৭৫ সালের হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা ছিল তাদেরকে খুঁজে বের করে তাদের ব্যাপারে তাদেরকে কোন বিচারের আওতায় আনা হবে সেই সুপারিশ করবে। একটা কমিশন কিন্তু বিচার করতে পারে না। কমিশন সুপারিশ করতে পারে। এটাই হবে।

সংগঠনটির আহবায়ক অ্যাডভোকটে ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন, গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সামসুল হক টুকু, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিন, বারের সাবেক সভাপতি মেসবাহ উদ্দিন প্রমুখ।

সারাবাংলা/এজেডকে/এনএইচ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন