বুধবার ১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৯ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৫ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও নৌমহড়ায় অংশ নিচ্ছে মিয়ানমার

আগস্ট ৩০, ২০১৯ | ২:৪৬ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আগামী সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগরে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্র এবং আসিয়ানের একটি যৌথ নৌমহড়ায় অংশ নিচ্ছে মিয়ানমারের নৌবাহিনী। বুধবার (২৮ আগস্ট) মিয়ানমারের একজন সামরিক মুখপাত্রের বরাতে এ খবর জানিয়েছে এএফপি। যদিও রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে দেশটির সেনাপ্রধানসহ প্রধান প্রধান সামরিক কর্মকর্তাদের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

বিজ্ঞাপন

এএফপি জানিয়েছে, যদিও এই নৌ মহড়ায় মিয়ানমার অংশ নিলেও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিল হবে না। তবে দুই বছর আগে সংগঠিত রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে দেশটির সেনাপ্রধান সহ অন্যান্য প্রধান সেনা কর্মকর্তাদের উপর যুক্তরাষ্ট্র যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল তা আরও কার্যকর করার মাধ্যমে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে বিশ্বে একঘরে করে দেওয়ার দাবি বিশ্বের শান্তিপ্রিয় মানুষদের মধ্যে জোড়ালো হচ্ছে।

এ বিষয়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জো মিন তুন বলেছেন, আমরা আসিয়ানের অংশ হিসেবে এ মহড়ায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছি। এই মহড়া থাই উপসাগর থেকে আগামী সেপ্টেম্বরের ২ তারিখে শুরু হবে। যার প্রধান ফোকাস থাকবে সন্ত্রাস দমন এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে। প্রধান প্রধান সেনা কর্মকর্তাদের উপর আরোপিত যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা অন্য আরেকটি প্রসঙ্গ।

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে জানানো হয়েছে, এই মহড়ার মাধ্যমে আসিয়ানভুক্ত দশটি দেশের সাথে একযোগে কাজ করার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এর মাধ্যমে ঐ অঞ্চলের নৌ নিরাপত্তার প্রধান প্রধান ইস্যুগুলো সম্পর্কে বোঝাপড়া তৈরী হবে নিঃসন্দেহে।

উল্লেখ করা যায় যে, রাখাইনে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিষয়ে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনও মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড এবং ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছিল।

এনজিও ফোর্টিফাই রাইটসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত এই নৌ মহড়ায় অংশ না নিয়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি অব্যাহত রাখা।

রোহিঙ্গা এক্টিভিস্ট তুন খিন বলেছেন, যেই সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে তাদের সাথে যৌথ মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির জন্য এক ভয়াবহ দুঃসংবাদ।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/একেএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন