রবিবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৭ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২২ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

‘শ্রম বাজারে সিন্ডেকেট হবে না এমন প্রতিশ্রুতি দিতে পারছি না’

সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৯ | ৪:৪০ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) নেতারা বলেছেন, মালয়েশিয়ায় নতুন করে শ্রমবাজার উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে। আমাদের চেষ্টা থাকবে এই বাজারকে সিন্ডিকেট মুক্ত রাখা। তবে নতুন শ্রম বাজারে সিন্ডিকেট হবে না— এমন প্রতিশ্রুতি আমরা দিতে পারছি না।

বিজ্ঞাপন

সিন্ডিকেটের কারণে প্রতিবছর ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে যারা বিদেশে যান, তাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয়। সেই সঙ্গে অন্যান্য রিক্রুটিং এজেন্সি জিম্মি হয়ে পড়ে সিন্ডিকেটের হাতে।

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইস্কাটনের বায়রা কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বায়রা নেতারা এসব কথা বলেন। এতে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বায়রা নেতারা মালয়েশিয়া ও সৌদি আরবের শ্রম বাজার নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।

লিখিত বক্তব্য পড়ে বায়রা সভাপতি বেনজীর আহমদ বলেন, সরকার মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে নতুন নতুন শ্রম বাজার উন্মুক্ত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বায়রা সব সময় সিন্ডিকেটমুক্ত শ্রম বাজারের পক্ষে। একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করে শ্রমবাজারকে ক্ষতিগ্রস্ত করার পাঁয়তারা করছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বায়রা সভাপতি বলেন, ‘সিন্ডিকেট হবে না তার গ্যারান্টি দিতে পারছি না। আগেও বলেছি সিন্ডেকেট হবে না, কিন্তু পরে আমরা জানতে পেরেছি মাঠ পর্যায়ে সিন্ডিকেট কাজ করছে। গতকালই শোনা গেছে, ইতোমধ্যে সিন্ডিকেট হয়ে গেছে। এই প্রচারটা চলছে। যা নিয়ে আমরা শঙ্কিত।’

বিজ্ঞাপন

যেসব কোম্পানির মাধ্যমে নারী শ্রমিকরা সৌদি আরবে গিয়ে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন সেই কোম্পানিগুলোকে কালো তালিকাভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।

বেনজির আহমদ বলেন, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে নারী শ্রমিক নির্যাতন বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি। ইতিবাচক সাড়াও পেয়েছি আমরা। আমরা চাই, কোম্পানিগুলো কালো তালিকাভুক্ত করা হোক।

বায়রায় দুই পক্ষ

মতবিনিয়ম সভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আরও কথা বলেন বায়রার সিনিয়র সহসভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজ ও মনসুর আহমেদ কালাম, যুগ্ম মহাসচিব সাজ্জাদ হোসেন, অর্থ সচিব শওকত হোসেন সিকদার।

বায়রা সভাপতিই সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ তোলেন তারা। শওকত হোসনে সিকদার বলেন, ‘আমাদের কমিটির সদস্য ২৭ জন। এর মধ্যে ১৪ জন অনাস্থা জানিয়েছে। ১৪ জন অনাস্থা দেওয়ার পরে নিয়ম অনুযায়ী তিনি দায়িত্বে থাকতে পারে না— তারপরেও তিনি রয়েছেন।’

সারাবাংলা/ইএইচটি/এটি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন