বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৪ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

ধর্ষণ থেকে বাঁচতে কোথায় পালাবে নারী-শিশু!

সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৯ | ১২:২৫ অপরাহ্ণ

মোহাম্মদ নূরুল হক

ধর্ষণ একটি সামাজিক বিকার— ঘৃণ্যতম অপরাধও।

বিজ্ঞাপন

ধর্ষকদের মধ্যে আছে বর্বরতা, আছে নির্লজ্জ অজুহাতও। এ কথা বলা অসঙ্গত হবে না— রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে একজন পুরুষের যেমন স্বাধীনভাবে চলাফেরার অধিকার আছে, তেমনি রয়েছে নারীরও। কিন্তু পুরুষ যেভাবে চলাফেরার স্বাধীনতা ভোগ করে, নিরাপত্তার সুবিধা পায়, তেমন স্বাধীনতা-সুবিধা নারীরা পায় না। ছেলে শিশু কিংবা মেয়ে শিশুর নিরাপত্তা তো সুদূর পরাহত।

নারীরা কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে গণপরিবহন, রাস্তাঘাট, নিজ বাসাবাড়ি, থানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমনকি মসজিদ-মন্দিরেও রেহাই পাচ্ছে না। রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও। গত কয়েকমাসে কেবল গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের দিকে তাকালেই দেখা যাবে, ধর্ষণ তালিকায় তরুণী-বৃদ্ধা থেকে শুরু করে ছেলে শিশু-মেয়ে শিশুও রয়েছে।

আরেকটি বিষয় প্রকটভাবে উপস্থিত— ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর প্রায়ই ভয়-ভীতি দেখিয়ে নিজেদের অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে অপরাধীরা। একইসঙ্গে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া কিংবা এসব ঘটনার ভিডিও করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ারও হুমকি দেয়। পিছপা হয় না গুম-খুনের ভয় দেখাতেও। অনেক ক্ষেত্রে ধর্ষণের পর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক সহযোগিতারও আশ্বাস দেয়। তবে, এই ধরনের ঘটনায় ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুরা সাধারণত দরিদ্র পরিবারের হয়। এসব ক্ষেত্রে কখনো কখনো সমাজপতিদের সহযোগিতায় ধর্ষকরা স্থানীয়ভাবে শালিসের নামে মীমাংসার চেষ্টা করে। অনেক সময় মীমাংসায় ব্যর্থ হলে ধর্ষণের শিকার দরিদ্র নারী বা শিশুকে হত্যা করে ফেলে তারা। আর এই ধর্ষকদের মধ্যেও রয়েছে বিচিত্র শ্রেণি-পেশার পুরুষ। দিনমজুর থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-মাদরাসার শিক্ষকরা যেমন আছেন, তেমনি রয়েছেন ইমাম-মুয়াজ্জিনও। বাদ যান না গণপরিবহনের চালক কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যও।

বিজ্ঞাপন

ধনী ভিকটিমের ক্ষেত্রেও এর ব্যত্যয় ঘটে না। এ ক্ষেত্রে বিয়ের প্রতিশ্রুতি বা আর্থিক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয় না। তবে ধর্ষণের পরপরই হয় হত্যা করা হয়, না হয় ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। কখনো কখনো উভয় ক্ষেত্রেই ধর্ষণের শিকার নারী-শিশুর চরিত্রে ‘কলঙ্ক’ আরোপ করা হয়। দোষ দেওয়া হয় তার পোশাকের ওপর। এমনকি ভুক্তভোগীর চলাফেরাকেও দোষারোপ করা হয়।

সমাজে ধর্ষণ কেন ঘটে— এই প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে মাঠপর্যায়ে গবেষণা করতে হবে। মাঠগবেষণা ছাড়া বিকল্প উপায়েও কিছু কিছু তথ্য-কারণ বের করা সম্ভব। এজন্য অপরাধের স্থান, অপরাধীদের পেশা-সামাজিক অবস্থান, অভ্যাস ও ধর্ষণের শিকার নারী-শিশুর সামাজিক আর্থিক অবস্থান ও নিরাপত্তাহীনতার সার্বিক দিক বিশ্লেষণ করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে অপরাধীরা বেশকিছু সুযোগের অপব্যবহার করে। যেমন— ভিকটিমের দারিদ্র্য-অসহায়ত্ব-বেকারত্ব; সামাজিক নিরাপত্তার অভাব; মাদক ও থানায় মামলা করতে গেলে ভিকটিমকে হয়রানি।

গ্রাম-শহর নির্বিচারে দরিদ্র, বেকার, অসহায় নারীরাই প্রভাবশালীদের লালসার শিকার হন বেশি। এতে চাকরিপ্রার্থী বা সাহায্যপ্রার্থী কিংবা কোনো ঘটনায় বিচারপ্রার্থী নারীরাই বেশি আক্রান্ত হন। চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে নারীদের যেতে বাধ্য করা হয়। আবার বিচারপ্রার্থীদেরও থানায় সুযোগ বুঝে পুলিশ সদস্যরা ধর্ষণ করে।

পরিবার থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা সমাজে যৌনশিক্ষার অভাব রয়েছে। কোথাও শৈশব থেকে যৌন বিষয়ে সুশিক্ষা বা সতর্কতার পাঠ দেওয়া হয় না। ফলে তরুণরা পর্নগ্রাফি, মাদকসেবনসহ নানা রকম অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ঝুঁকে পড়ে। এই ঝুঁকে পড়ায় নিজেদের মধ্যে তীব্র যৌনতাড়না বোধ করে তারা। কিন্তু যৌনতাড়নাকে নিয়ন্ত্রণ করার কিংবা যথাসময়ের জন্য অপেক্ষা করার পাঠ তারা পায় না। ফলে যৌনচাহিদার বিষয়টি তরুণদের জন্য এক ধরনের ট্যাবু হয়ে দাঁড়ায়। তারা এই ট্যাবু ভাঙার জন্য দুর্মর হয়ে ওঠে। হয়ে ওঠে বর্বরও।

এছাড়া রয়েছে সামাজিক নিরাপত্তার অভাবও। সমাজের বখাটে থেকে শুরু রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য যেখানে ধর্ষকামী, সেখানে নারী-শিশুরা নিরাপত্তাহীনতা ভুগবে, এমনটাই স্বাভাবিক। বিষয়টিকে পুঁজি করে ধর্ষকরাও। আছে নৈতিক শিক্ষারও অভাব। সমাজ নৈতিক শিক্ষার ব্যাপারে প্রায় উদাসীন। একজন মানুষকে সভ্য ও নৈতিক মানসম্পন্ন হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সমাজ জোগান দেয় না। এছাড়া দেশের শিক্ষাব্যবস্থায়ও মানবিক-নৈতিক কিংবা যৌনশিক্ষার কোনো সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নেই। ফলে জনগণের মধ্যে মানবিক বোধ জন্মানোর সুযোগ ঘটে না। পায় না নৈতিক ও যৌনশিক্ষার পাঠও।

এ কথা বললে অত্যুক্তি হবে না যে সম্প্রতি সমাজে মাদক মহামারি আকার ধারণ করেছে। এই মাদক মানুষের সুকুমারবৃত্তিকে কেবল ধ্বংসই করে না, মানবিকবোধকেও নিঃশেষ করে দেয়। ফলে মানুষের মধ্যে দয়ামায়া— সর্বোপরি মানবিক কোনো গুণ আর অবিশষ্ট থাকে না। তবে, ঘটনা যেভাবেই ঘটুক, অপরাধীরা মূলত ধর্ষণের সাহস পায় তিনটি কারণে—

১। স্বচ্ছতার সঙ্গে ধর্ষণের ঘটনার তদন্ত না হওয়া ও যথাসময়ে চার্জশিট দাখিল না করা;

২। ধর্ষণের ঘটনা প্রমাণে জটিলতা, ঠিকমতো সাক্ষী হাজির না হওয়া; এবং

৩। বিচার শেষে শাস্তি কার্যকর না হওয়া।

এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে আলোচনা করা যাক। শুরুতে আসা যাক ঘটনার আলামত ও তদন্তে স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে। এ কথা প্রায় সুবিদিত— ঘটনার আলামত পরীক্ষা ও তদন্তকাজে স্বচ্ছতা না থাকার পাশাপাশি দ্রুত শাস্তি কার্যকর না হওয়ার কারণেই ধর্ষকরা অপরাধ করতে ভয় পায় না। আর তদন্তকারী কর্মকর্তারাও এ ধরনের ঘটনায় অপরাধীর চেয়ে ভুক্তভোগীর দিকে মনোযোগ দেয় বেশি। কিন্তু সে মনোযোগে থাকে অশুভ কামনা-লালসা। সেই কামনা-লালসায় থাকে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নগদ অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্য। সঙ্গে অনৈতিকভাবে ফায়দা হাসিলের বাসনাও। ভুক্তভোগীরা সাধারণত দরিদ্র কিংবা দরিদ্র পরিবারের শিশু হওয়ায় তাদের পক্ষে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব হয় না। পক্ষান্তরে অপরাধীরা সমাজের প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় থাকায় তারা সেই প্রভাব তদন্তকারী কর্মকর্তার ওপর খাটায়। এছাড়া, নগদ বখশিস দেওয়ার পাশাপাশি ভুক্তভোগীর চরিত্রে ‘কলঙ্ক’ আরোপেরও যাবতীয় চেষ্টা করে তারা। সব মিলিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তারা ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে আর্থিক বা অন্য কোনো সুবিধা নিতে না পারায় তাদের প্রতি থাকে অসন্তুষ্টি।

পক্ষান্তরে অপরাধীরা নগদ অর্থ দেওয়া ছাড়াও বিভিন্ন রকম প্রভাব খাটানোসহ তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ব্যস্ত রাখে অন্যান্য কাজে। ফলে তদন্তকারী কর্মকর্তারাও ধর্ষণের ঘটনায় চার্জশিট দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রায় গড়িমসি করেন। চার্জশিট দিতে দেরি হলে বিচারকাজেও দেরি হয়। এটিই স্বাভাবিক।

আর বিচার শুরু হলে দেখা দেয় নতুন জটিলতা। ততদিনে ঘটনার আলামতও নষ্ট করে ফেলে অপরাধীরা। এ সময়ের মধ্যে সাক্ষীদেরও নানা রকম ভয়ভীতি দেখিয়ে আদালতে হাজির হওয়া থেকে বিরত রাখে। যে ক’জন আদালতে হাজির হন, তাদেরও বয়ান পরিবর্তনে বাধ্য করা হয়। এরই মধ্যে কেটে যায় বছরের পর বছর। বাদীপক্ষ একসময় হাল ছেড়ে দিতেও বাধ্য হয়। ফলে সাক্ষী ও অকাট্য তথ্যের অভাবে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করা বাদীপক্ষের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।

মানুষ মাত্রই বিস্মৃতিপ্রবণ। নগদ আঙুল কাটার ঘটনায় কাতর হলেও পুরনো দিনের গলার ব্যথাও সে ভুলে বসে থাকে। ফলে রাষ্ট্র যেখানে অপরাধীর শাস্তি দ্রুত কার্যকরের ব্যবস্থা না রেখে বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রিতার সুযোগ রেখেছে, সেখানে অপরাধীরা সুযোগ নেবেই। এই সুযোগ তারা দু’ভাবে নিতে পারে। প্রথমত, ঘটনার পর আলামত নষ্ট করে ও তদন্তকাজে প্রভাব বিস্তার করে। দ্বিতীয়ত, দীর্ঘদিন বিচার চললে সাক্ষীদের প্রভাবিত করাসহ বারবার সময় নেওয়ার মাধ্যমে একটি ঘটনার বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রায় অর্ধযুগ সময়ও বিলম্বিত করার মাধ্যমে। এতে বিচারপ্রার্থীরা হয়রানির ভয়ে, অর্থব্যয়ের ভয়ে, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা ও ভবিষ্যৎ বিপদের আশঙ্কায় মামলা থেকে সরে আসে। একদিকে বিলম্বের কারণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ জটিল হয়ে ওঠে, অন্যদিকে রাষ্ট্র এসব মামলায় দ্রুত রায় কার্যকর না করায় ধর্ষকামীদের মনেও ভয়-ডর কাজ করে না। এর সুবিধা নেয় ধর্ষকরা। তাদের দৃষ্টান্ত দেখে নতুন ধর্ষকরাও অপরাধের দিকে প্ররোচিত হয়। অর্থাৎ যতটা নতুন ধর্ষকরা প্রবৃত্তির প্ররোচনায় ধর্ষণ করে, তারও বেশি করে দ্রুত শাস্তি কার্যকর না হওয়ার কারণে।

দ্রুত অপরাধীদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ায় ধর্ষণের মতো অপরাধ বেড়েছে মনে করেন খোদ দেশের হাইকোর্টও। গত ২০ আগস্ট ধর্ষণ সংক্রান্ত এক মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছেন, ‘সম্প্রতি দেশে ধর্ষণ, বিশেষত শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার মতো ঘৃণ্য অপরাধ বেড়েই চলেছে। এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত অপরাধীর দ্রুততম সময়ে বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারার দায় মূলত রাষ্ট্রের ওপরেই বর্তায়।’

আদালতের দেওয়া পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়েছে, ‘ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলার আসামিরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বেপরোয়া ও ধূর্ত প্রকৃতির। এরা ভিকটিম ও তার পরিবারের ওপরে চাপ-প্রভাব বিস্তার করে। আদালতে সাক্ষ্য দিতে ভয়ভীতি দেখায়। ক্ষেত্র বিশেষে সালিশের নামে সামাজিক বিচার করে ভিকটিম ও তার পরিবারকে মামলা প্রত্যাহারে বাধ্যও করে।’ এই অবস্থায় ‘সাক্ষী সুরক্ষা আইন’ প্রণয়নের বিকল্প নেই বলেও আদালত মনে করেন। এই লক্ষ্যে সরকারকে দ্রুত এ বিষয়ে আইন প্রণয়নেরও পরামর্শ দিয়েছেন আদালত।

এখানে লক্ষণীয়, গত একদশক ধরে ধর্ষণ মহামারি আকারণ ধারণ করলেও নারী ও শিশু কর্মস্থল কিংবা চলাফেরার পথ নিরাপদ করতে পারেনি সরকার। রাষ্ট্র তার নারী ও শিশুর নাগরিকের জন্য বাসা-বাড়ি-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-কর্মস্থল কিংবা রাস্তাঘাটে নিরাপত্তা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। কোথাও এই নাগরিকরা ধর্ষকদের হাত থেকে নিরাপদ নয়। এ কারণেই নারী কর্মস্থলে ও গণপরিবহনে সহকর্মী বা চালক-হেলপার বা সহযাত্রীর হাতে ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। আবার এসব ঘটনাসহ অন্যান্য সামাজিক সমস্যা নিয়ে প্রতিকার চাইতে গিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু খোদ থানা পুলিশের হাতেও নানাভাবে হয়রানি হচ্ছেন। ধর্ষণের বিচার চাইতে গিয়ে আবারও হচ্ছে ধর্ষণের শিকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে মোল্লা-পুরোহিতরা ছেলে শিশু-মেয়ে শিশুদের নির্বিচারে দিনের পর দিন ধর্ষণ করছে। কোনো কোনো ঘটনা জানাজানি হচ্ছে, কোনো কোনোটা থেকে যাচ্ছে লোকচক্ষুর অন্তরালে। এখনই আইনে আরও কঠোর বিধান চালুসহ, রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মস্থলকে নারী-শিশুর জন্য নিরাপদ করে তুলতে হবে রাষ্ট্রকে। না হলে এর পরিণাম একদিন রাষ্ট্রকেই ভোগ করতে হবে।

লেখক: কবি, প্রাবন্ধিক ও সংবাদকর্মী

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন