মঙ্গলবার ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৯ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৪ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

চাটগাঁর আকাশে মেঘ, মনে বাজে শঙ্কার ডঙ্কা

সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৯ | ১:৫৪ অপরাহ্ণ

সিরাজুম মুনিরা, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর

সারাদেশের মানুষ এখন কোথায় তাকিয়ে, বলুন তো?

বিজ্ঞাপন

কোথায় আবার? চট্টগ্রামের আকাশে দিকে। কারণ চট্টগ্রামের আকাশের গতি-প্রকৃতির ওপরই তো নির্ভর করছে আফগানিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশ দলের টেস্ট ম্যাচের ভাগ্য। মানে শেষ পর্যন্ত বৃষ্টিই আসলে ঠিক করে দেবে দুই দেশের ভাগ্য।

তাই আজ ঢাকার নয়, চট্টগ্রামের আবহাওয়ার খবর দিয়ে শুরু করছি মেঘ-রোদ্দুর।

সকাল থেকেই বন্দরনগরীর আকাশ ছিল গোমড়ামুখো, সে তো আপনারা বিভিন্ন টেলিভিশনে খেলার সরাসরি সম্প্রচার থেকে দেখেই নিয়েছেন। সেইসঙ্গে দেখেছেন চট্টগ্রামের বৃষ্টিও।

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রামের বৃষ্টি এমনিতে খুব মনোমুগ্ধকর। সারি সারি পাহাড় আর সবুজ গাছের ওপর যখন বৃষ্টি পড়ে তখন দারুণ দৃশ্যের সূচনা হয়। কিন্তু সেই বৃষ্টিই আজ সকাল থেকে ক্রিকেট প্রেমীদের গলায় কাঁটার মতো বিঁধছে। এই থামে, মাঠ শুকানোর প্রস্তুতি চলে। তো একটু পরে আবার নামে ঝমঝমিয়ে। বিরক্ত না হয়ে পারা যায়, বলুন?

আবহাওয়া অফিস কিন্তু বলছে, চট্টগ্রামে সারাদিনই বৃষ্টি হবে। তবে সেটা থেমে থেমে। বজ্রপাতও হবে বেশ। সারাদিনই আকাশ থাকবে মেঘলা।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা সেখ ফরিদ আহমেদ জানিয়েছেন, পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর আশপাশের এলাকায় একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। তাই তো আবহাওয়ার এই অবস্থা। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত ও নদী বন্দরকে এক নম্বর নৌ সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবারও বৃষ্টির হানা চট্টগ্রাম টেস্টে

অবশ্য তিন নম্বর সতর্ক সংকেত শুধু চট্টগ্রাম বন্দরকেই নয় মোংলা ও পায়রাকেও দেখাতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে এই সংকেতের আওতায় পড়েছে কক্সবাজারও। উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় যেসব মাছ ধরার নৌকা বা ট্রলার রয়েছে তাদেরকে উপকূলের কাছাকাছি নিরাপদ স্থানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

বন্দর নগরীতে এখন বাতাসের গতিবেগ ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার। যা দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্বদিক থেকে বইছে। আবার দমকা হাওয়া আকারে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগেও প্রবাহিত হতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় নগরীতে ১৩ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বৃষ্টি হচ্ছে রাজধানীতেও। ঢাকার আকাশজোড়া মেঘ, বজ্রপাতও হচ্ছে। বহু নিচু সড়ক এরইমধ্যে ডুবেছে পানির নিচে। ফলে চিরপরিচিত ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

গতরাত থেকেই ঢাকায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি। সকালের দিকে কিছুক্ষণ বন্ধ থাকলেও দুপুর থেকে ঝরছে অঝোর ধারায়।

যেহেতু হঠাৎ বৃষ্টি, তাই অনেকেই পথে বেরিয়ে ভিজে একাকার হয়েছেন। ভেজা শরীর দ্রুত মুছে নিতে হবে। নাহলে ঠাণ্ডা লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে আগামী কয়েকদিনও বৃষ্টির প্রস্তুতি নিয়েই বের হতে হবে। ভাদ্রের এই শেষভাগে প্রকৃতি কখন কেমন রূপ দেখাবে সেইটা আগে থেকে কিন্তু বোঝা যাবে না।

সবার দিন ভালো কাটুক। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্যও রইল শুভকামনা।

সারাবাংলা/এসএমএন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন