রবিবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৭ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২২ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ২ নেতার মারামারিতে একজন আহত

সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯ | ৬:৪৯ অপরাহ্ণ

ঢাবি করেসপনডেন্ট

ঢাবি: ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় দুই নেতার মধ্যে মারামারিতে একজন আহত হয়েছেন। মারামারিতে অংশ নেওয়া দুজনই ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এবং সভাপতি শোভনের অনুসারী বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

মারামারিতে অংশ নেওয়া ছাত্রলীগের দুই নেতা হলেন- তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী জহির ও শাহরিয়ার কবির বিদ্যুৎ। আহত বিদ্যুৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

বিদ্যুতের অভিযোগ, আদর্শগত দ্বন্দ্বের জন্য কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জহির ইট দিয়ে আঘাত করে তার বাম চোখের ওপরের কপাল ফাটিয়ে দিয়েছে।

বিদ্যুৎ বলেন, ‘সপ্তাহ খানেক ধরে ওদের সিন্ডিকেটের সাথে আমাদের মতানৈক্য ও বিরোধ চলে আসছিল। আজ মধুর ক্যান্টিনে এসব বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জহির আমার শার্টের কলার চেপে ধরে। তখন আমিও ওর জামার কলার চেপে ধরি। এক পর্যায়ে জহির ইট দিয়ে আঘাত করে আমার কপাল ফাটিয়ে দেয়। ’

বিজ্ঞাপন

জহির জামাত-শিবিরের সাথে সংশ্লিষ্ট এবং জহিরের সিন্ডিকেট মিলে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ভাঙার ষড়যন্ত্র করছিল বলে অভিযোগ করেন বিদ্যুৎ। আর এসব বিষয় নিয়েই মুলত জহিরের সঙ্গে গত কিছুদিন ধরে ঝামেলা চলছিল বলে জানা গেছে। এছাড়া অভিযুক্ত জহির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয় বলেও অভিযোগ বিদ্যুতের।

অভিযুক্ত জহির কোথায় এখন কোথায় আছেন এ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা জানান, জহির ছাত্রলীগ সভাপতি শোভনের বাসায় আছেন।

এদিকে মধুর ক্যান্টিনের সামনে মারামারি সংঘটিত হওয়ার সময় দৈনিক ইনকিলাবের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্য নুর হোসেন ইমন ঘটনার ভিডিও তার মুঠোফোনে ধারণ করেন। এসময় ছাত্রলীগ সভাপতি শোভন জোরপূর্বক ওই সাংবাদিককে তার গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। পরে ভিডিও ডিলেট করিয়ে তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেন।

এ বিষয়ে জানতে শোভনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।

সারাবাংলা/কেকে/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন