সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ২২ জমাদিউস-সানি ১৪৪১

বিজ্ঞাপন

আফগান ম্যাচে জেমির একাদশ ও ফরম্যাশন

সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯ | ৭:৪৭ অপরাহ্ণ

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আর কিছুখন পরই ফুটবল বিশ্বকাপ বাছাইয়ের মিশনে নামবে বাংলাদেশ। দেশের ফুটবলের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এটাই। প্রথম ম্যাচ আফগানিস্তানের সঙ্গে। র‌্যাঙ্কিং বা শক্তি সামর্থে ফ্যাবারিটের তকমা নিয়েই নামতে আফগানরা। সঙ্গে অতীত ইতিহাসও হয়তো আত্মবিশ্বাস যোগাবে তাদের। তবে, এসব মাথায় রেখেই পরিকল্পনা কষেই মাঠে নেমে তিন পয়েন্ট নিয়ে দেশে ফিরতে চায় জামাল ভূঁইয়ারা।

বিজ্ঞাপন

জয়ের আশায় মূল একাদশে চার ডিফেন্ডার, চার মাঝমাঠের ফুটবলার ও দুই ফরোয়ার্ডকে নামাচ্ছেন জেমি ডে। ৪-২-৩-১ ফরম্যাশনে খেলতে নামছে বাংলাদেশ।

নিজেদের সেরা প্রস্তুতির সঙ্গে কোচের কৌশল নিয়ে মাঠে নেমে সেরাটা দেয়ার অপেক্ষায় আছেন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। লক্ষ্য একটাই। আজ মঙ্গলবার তাজিকিস্তানের পামির স্টেডিয়াম থেকে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়েই দেশে ফেরা।

বিজ্ঞাপন

একদিকে ক্রিকেটে যখন আফগানদের কাছে করুণভাবে হেরে দুঃখের সাগরে ভাসছে দেশের সমর্থকরা অন্যদিকে ফুটবলে সেই আফগানদের বিপক্ষেই নামতে চলেছে জামাল-মামুন-রানারা। অন্তত ফুটবল দিয়ে সেই দুঃখে একটু না হয় প্রলেপ দেয়ার সুযোগ থাকছে দেশের ফুটবলারদের।

সেই চ্যালেঞ্জটা সহজ হবে বরং কঠিন হবে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। কেননা আফগান দলটা র‌্যাঙ্কিংয়ে (১৪৯) বাংলাদেশের (১৮২) বেশ এগিয়ে। ৩৩ ধাপ। তবে এই কঠিন চ্যালেঞ্জটাই নিতে চায় বাংলাদেশ।

অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার কণ্ঠে তেমনটাই আভাস, ‘আফগানিস্তান অনেক শক্তিশালী দল। বেশ লড়াকু একটা ম্যাচই হবে। আমরা এখানে নয়দিন থেকে আছি। ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি। নিজেদের সেরাটা দিয়ে ম্যাচটা জিতে ফিরতে চাই।’

লাওস বধ করে প্রাক বাছাই পেরিয়ে বাংলাদেশ এখন বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বে। এখানে চ্যালেঞ্জটা বরাবরই কঠিন। গত বারের ইতিহাস বলছে- ৮ ম্যাচে ৩২ গোল হজম করেছে বাংলাদেশ। বিপরীতে মাত্র দুবার বল জালে পাঠাতে পেরেছে এমিলিরা। এবার সেই তুলনায় ভালো প্রস্তুতি নিয়ে মিশনে নামছে জেমি ডেরা। অতীতের দুঃখের স্মৃতি ভোলানোর সময় এসেছে জামাল ভূঁইয়াদের।

মূল একাদশ:
আশরাফুল ইসলাম রানা গোলরক্ষক)
ডিফেন্ডার: বিশ্বনাথ ঘোষ, রহমত মিয়া, ইয়াসিন খান, টুটুল বাদশা
মিডফিল্ডার: জামাল ভূঁইয়া (অধিনায়ক), বিপলু আহমেদ, সোহেল রানা, মামুনুল ইসলাম মামুন
ফরোয়ার্ড: সাদ উদ্দীন, নবীব নেওয়াজ জীবন

সারাবাংলা/জেএইচ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন