সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৮ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৩ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

সাংবাদিকের কাছে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রলীগ সভাপতি

সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯ | ৮:৫১ অপরাহ্ণ

ঢাবি করেসপনডেন্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্য ও দৈনিক ইনকিলাবের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নুর হোসেন ইমনকে হেনস্তা করার ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এসময় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি রায়হানুল ইসলাম আবির ও সাধারণ সম্পাদক মাহদী আল মুহতাসিম (নিবিড়) সহ সমিতির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন- ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ২ নেতার মারামারিতে একজন আহত

মঙ্গলবার দুপুরে মধুর ক্যান্টিনের সামনে শোভনের অনুসারী ছাত্রলীগের দুই সহ সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী জহির ও শাহরিয়ার কবির বিদ্যুৎ মারামারি করেন। এতে বিদ্যুৎ এর কপাল ফেটে যায়। তখন ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিক নুর হোসেন ইমন তার মুঠোফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। তা দেখে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাহিয়ান খান জয় ওই সাংবাদিকের মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও ডিলিট করে দেন। পরে শোভন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ইমন নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তাকে গাড়িতে তুলে নেন।

বিজ্ঞাপন

এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে শোভন বলেন, 'আমি মূলত তাকে ঘটনাস্থলের মারামারি থেকে বাঁচাতে আমার গাড়িতে তুলেছিলাম। কিন্তু আমি তার প্রতি কোনো আগ্রাসী আচরণ করিনি। আমি এই ঘটনার জন্য দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।'

ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মী সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দিলে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন শোভন।

ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জয় ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, 'আসলে আমার দুই বন্ধুর (জহির ও বিদ্যুৎ) মারামারি দেখে আমার মানসিকতা ঠিক ছিল না। আমি এই ঘটনার জন্য লজ্জিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।' ভবিষ্যতে এ ধরণের কাজ না করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আবির বলেন, 'আমরা ক্যাম্পাসে আমাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে এর আগেও বাধাগ্রস্ত হয়েছি। এসব ঘটনা খুবই দুঃখজনক। ক্যাম্পাসের সব ছাত্রসংগঠনের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। তাই আশা করি ভবিষ্যতে আমাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে ছাত্রলীগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।'

সারাবাংলা/কেকে/আইই

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন