শুক্রবার ২২ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৪ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

‘ছাত্রলীগ নামক বাসের হেলপার ঢাবি প্রশাসন’

সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯ | ৩:২৪ অপরাহ্ণ

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট

ঢাবি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানসহ পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ছাত্রলীগ নামক বাসের হেলপার বলে আখ্যা দিয়েছেন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব সময় ছাত্রলীগের প্রতিনিধিত্ব করে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে এ আখ্যা দেন হাসান আল মামুন।

গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনের সময় ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের একটি বিভাগের সান্ধ্যকালীন প্রোগ্রামে ছাত্রলীগের ৩৪ জন সাবেক ও বর্তমান নেতাকে পরীক্ষা ছাড়াই অবৈধভাবে ভর্তির সুযোগ দেওয়ায় প্রতিবাদে কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্লাটফর্ম `বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে তিনটি দাবি উত্থাপন করেন শিক্ষার্থীরা। দাবিগুলো হলো- পরীক্ষা ছাড়া ভর্তি হওয়া ছাত্রলীগের ৩৪ জন নেতাকে অছাত্র ঘোষণা। পরীক্ষা ছাড়া ভর্তি হওয়া আট ডাকসু নেতার পদ শূন্য ঘোষণা করে ওই পদগুলোতে উপ-নির্বাচন দেওয়া। এবং পরীক্ষা ছাড়া উপাচার্যের চিরকুট ও ডিনের সহায়তায় ভর্তি হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত বিশ্বিবদ্যালয় উপাচার্য ও অনুষদের ডিন শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলামের পদত্যাগ।

বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রসানকে ছাত্রলীগের প্রতিনিধিত্বকারী উল্লেখ করে হাসান আল মামুন বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা না বলে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ভিসি ও ডিনরা সব সময় ছাত্রলীগের প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন। ছাত্রলীগ যদি কোনো ধরনের অনিয়ম এবং দুর্নীতিও করে তবুও তাদের বিচার হয় না। এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ভিসি ছাত্রলীগ নামের যে বাস রয়েছে সেই বাসের হেলপার হয়ে কাজ করেন।’

ছাত্রলীগ কোনো ধরনের অন্যায়-অনিয়ম করলে তাদের পার করে দেওয়ার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পালন করে থাকে বলেও অভিযোগ করেন মামুন।

মানববন্ধনে উত্থাপিত দাবিগুলো মেনে নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন সংগঠনের যুগ্ম-আহ্বায়ক ফারুক হাসান। তিনি বলেন, ‘যদি এই তিনটি দাবি ঢাবির মেরুদণ্ডহীন প্রশাসন অনতিবিলম্বে মেনে না নেয় তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষার্থীরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে। ’

মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আকরাম হুসাইন, নাহিদ ইসলাম, মশিউর রহমান, বিন ইয়ামিন মোল্লা বক্তব্য দেন। মানববন্ধন শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/কেকে/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন