শুক্রবার ২২ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৪ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

টেস্টের প্রতি সাকিবের আগ্রহ কম: পাপন

সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯ | ৭:৫২ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

সপ্তাহ দুয়েক আগে দেশের একটি দৈনিক পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাতকারে সাকিব আল হাসান বলেছিলেন নেতৃত্বের জন্য তিনি প্রস্তুত নন। এতে করে তার পারফরম্যান্সের ওপর থেকে ফোকাস সরে যাচ্ছে। তার এই মন্তব্যে বিসিবি সভাপতি সভাপতি খুঁজে পেয়েছেন সাদা পোষাকে অনাগ্রহের প্রকাশ। তার মতে, যেহেতু টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি সাকিবের আগ্রহ কম সেহেতু নেতৃত্বও খুব একটা উপভোগ করছেন না। সঙ্গত কারণেই ব্যাটন ফিরিয়ে দিতে চাইছেন।

বিজ্ঞাপন

মুশফিকুর রহিমকে সরিয়ে ২০১৭ সালে টেস্ট ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়েছিল আল হাসানের হাতে। মাত্র ২ বছর দলকে নেতৃত্ব দিতেই আগ্রহ হারিয়েছেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। তার এই অনাগ্রহে বিসিবির ভাবনা কি?

‘এটি কঠিন প্রশ্ন। তবে এটি ঠিক যে, আমরা দেখেছি টেস্টের ব্যাপারে বেশ কিছুদিন থেকে ওর আগ্রহ তেমন নেই। বিশেষ করে আপনারা যদি দেখেন, আমাদের দলগুলো যখন বাইরে যাচ্ছিল, তখন টেস্টের সময় সে বিরতি চায়। ন্যাচারালি ওর হয়তো আগ্রহটা কম।‘

‘তবে অধিনায়কত্ব নিয়ে কখনো কোনো কিছু শুনিনি। আমরা কখনো শুনিনি যে, অধিনায়কত্ব নিয়ে ওর আগ্রহ কম আছে। এখন বলার কারণ হতে পারে, অধিনায়ক হলে তো টেস্ট খেলতেই হবে। অধিনায়ক না হলে টেস্ট না খেলেও পারা যায়। তাই ন্যাচারালি হয়তো এই কারণে অধিনায়কত্বের কথাটি এসেছে।‘ যোগ করেন পাপন।

বিজ্ঞাপন

সাকিব আল হাসান লম্বা সময় বাংলাদেশ ক্রিকেটকে সার্ভিস দিয়েছেন এবং সেদিন আফগানিস্তানের কাছে হেরে আবেগপ্রবণ হয়ে সাকিব অধিনায়কত্ব ছাড়ার কথা বলতে পারে। এর সাথে পাপন আরও বলেন,

‘ও অনেক সার্ভিস দিয়েছে। আমরা মনে করি, সে হলো সেরা অধিনায়ক। আমাদের হাতে যে অপশন আছে, তাদের মধ্যে থেকে সে সেরা। এখন পর্যন্ত সে আমাদের কিছু বলেনি। মিডিয়াতে বলেছে যে যদি থাকি কিংবা বোর্ডের সঙ্গে কথা বলতে হবে- এই ধরনের একটি কথা।‘

সেই সাথে বিসিবি সভাপতি আরও যোগ করেন, ‘আমি গতকাল ওর সঙ্গে বসেছিলাম, কিন্তু সেখানে এমন কোনো আলাপ আলোচনা হয়নি। যেহেতু এখন একটি সিরিজ চলছে, আমার মনে হয় না এখনই এটি নিয়ে কথা বলা উচিত। ও যদি প্রসঙ্গ উঠাত, তাহলে অবশ্যই আলোচনা করতাম।‘

সাকিব দলের অধিনায়কত্ব করতে চান না কিংবা ছাড়তে চাইছেন এমন প্রসঙ্গে পাপন আরও বলেন। ‘ও যখন আমাদের কাছে বলবে, তখন আমরাও ফরমালি বলব। হয় কী... মন টন খারাপ থাকে তো। ও তো আগে কয়টা টেস্টে যায়ও নাই। এসে হঠাৎ করে আফগানিস্তানের সঙ্গে হারল... ইমোশনাল হতে পারে। আমাদের ছেলেরা তো একটু আবেগি। ঠাণ্ডা মাথায় যখন বলবে, আমরাও যা বলার বলব, যদি সে বলে।'

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এমআরএফ/এসএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন