শনিবার ২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৫ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রধানের পদ অবনমন, সংসদে বিল পাস

সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯ | ১১:১১ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

সংসদ ভবন থেকে: ইউনেস্কোর প্রতিনিধিসহ সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের পরিচালনা বোর্ডে অন্তর্ভুক্তির বিধান রেখে এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানের পদ মহাপরিচালক থেকে পরিচালক হিসেবে অবনমিত করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট (সংশোধন) বিল ২০১৯ পাস করেছে সংসদ।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে একাদশ সংসদের চতুর্থ অধিবেশনে বিলটি পাস হয়।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির পক্ষে বিলটি পাস করার প্রস্তব করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। এর আগে বিলটি পাসের বিরোধিতা করেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইমাম। তবে তার আপত্তি গ্রহণ করেনি সংসদ। বিলের ওপর আনীত সংশোধনী, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

ইউনেস্কোর সঙ্গে বাংলাদেশের সেই হওয়া চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের প্রধানের পদবী ও পরিচালনা বোর্ডের গঠন কাঠামো সংশোধনের আবশ্যকতা দেখা দেওয়ায় বিলে বিদ্যমান আইনের সংশোধনী প্রস্তাব আনা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিলের ৮ ধারায় সংশোধনী এনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালনা বোর্ডে চেয়ারম্যান পদে শিক্ষামন্ত্রী বা তার প্রতিনিধিকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে।  এছাড়া পরিচালনা বোর্ডে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের মহাসচিব বা তার প্রতিনিধি, সংস্কৃতি সচিব বা তার প্রতিনিধি, ইউনেস্কোর সদস্য রাষ্ট্রসগুলোর প্রতিনিধি, ইউনেস্কোর মহাপরিচালক মনোনীত প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিলে কমিটি সদস্যদের দায়িত্ব পালনের মেয়াদ তিন বছর করারও প্রস্তাব করা হয়। এছাড়া বিলে মূল আইন অনুযায়ী মহাপরিচালকের অনুপস্থিতিতে জ্যেষ্ঠ অতিরিক্ত পরিচালককে অথবা সরকার মনোনীত কোনো ব্যক্তিকে অস্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠানের প্রধানের দায়িত্ব প্রদানের বিধানেরও প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০১০ সালের আইনে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও একে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে ইউনেস্কোর পরিবর্তিত সংজ্ঞা প্রতিস্থাপন এবং ইনস্টিটিউটের পরিচালনা বোর্ডে ইউনেস্কো মহাপরিচালকের প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করে আইনটি ২০১৩ সালে সংশোধন করা হয়।

এর মধ্যে ২০১৬ সালে ইনস্টিটিউট ইউনেস্কোর ক্যাটাগরি-২ প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউনেস্কোর সঙ্গে বাংলাদেশের একটি চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ইনস্টিটিউটের পরিচালক হবেন পরিচালনা বোর্ডের সদস্য সচিব। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের প্রধানের পদবী ও পরিচালনা বোর্ডের গঠন কাঠামো সংশোধন প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট (সংশোধন) আইন-২০১৯ বিল আকারে সংসদে উপস্থাপন করা হলো।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এএইচএইচ/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন