রবিবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৭ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২২ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিকেল থেকে ভোর পর্যন্ত থ্রিজি-ফোরজি বন্ধ

সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯ | ১১:৪১ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রোহিঙ্গাদের মোবাইল সেবা বন্ধের অংশ হিসেবে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে বিকেল ৫টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকবে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে বিটিআরসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া উইং) জাকির হোসেন খান সারাবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন- রোহিঙ্গাদের মোবাইল সেবা বন্ধের নির্দেশ

জাকির হোসেন খান বলেন, টেকনাফ ও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় বিকেল ৫টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধ থাকবে। তবে সেটা পুরো এলাকার জন্য প্রযোজ্য নয়। তবে এসময় টুজি সেবা চালু থাকায় ভয়েস কলের সুবিধা অব্যাহত থাকবে।

এর আগে, গত ২ সেপ্টেম্বর মোবাইল ফোন অপারেটরদের সঙ্গে বিটিআরসির এক বৈঠকে থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধের এ সিদ্ধান্ত আসে। ওই বৈঠক সিদ্ধান্ত আসে টেকনাফ ও উখিয়ায় সিম বিক্রিতে অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়েও। পরে টেকনাফ ও উখিয়ায় বিকেল থেকে ভোর পর্যন্ত থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে স্থানীয়দের সমস্যা হওয়ায় এবার শুধু ক্যাম্প এলাকার জন্য এই সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন- রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিম বিক্রেতা ও অপারেটরদের শাস্তি দাবি

গত ১ সেপ্টেম্বর, রোহিঙ্গাদের সব ধরনের মোবাইল সেবা বন্ধ করতে অপারেটরেগুলোকে নির্দেশনা দেয় বিটিআরসি। এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার সারাবাংলাকে বলেছিলেন, ‘আমরা বহু আগে থেকেই অপারেটরগুলোকে অবৈধভাবে সিম বিক্রি বন্ধ করার কথা বলে আসছিলাম। আগে থেকেই নির্দেশনা ছিল। কিন্তু তারপরেও অন্যের নামে রোহিঙ্গারা সিম কিনে তা ব্যবহার করছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। তাই বিটিআরসিকে এ বিষয়ে জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

কিভাবে রোহিঙ্গাদের সিম ব্যবহার বন্ধ করা হবে— জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে তা বের করা হবে। সে বিষয়ে আমাদের সক্ষমতা আছে। অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ওই এলাকায় নেটওয়ার্ক বন্ধ করা হবে না। নেটওয়ার্ক বন্ধ মানে তো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা। কারণ, ওই এলাকায় বাঙালিরাও রয়েছেন।

সারাবাংলা/ইএইচটি/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন