রবিবার ২০ অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ৪ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২০ সফর, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

ডেঙ্গু নির্মূলে ৫ বছর মেয়াদী প্রকল্প নিচ্ছে ডিএসসিসি

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯ | ৩:২৩ অপরাহ্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, ‘ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা, নিয়ন্ত্রণ, নির্মূল এবং এর একটি স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন একটি প্রকল্প গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই প্রকল্প হবে পাঁচ বছর মেয়াদী।’

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নগর ভবনের ব্যাংক ফ্লোরে সিঙ্গাপুর সফর শেষে দেশে ফিরে অভিজ্ঞতা জানাতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মেয়র একথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ আহমেদ।

মেয়র বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের সব প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে যাচ্ছি। আমরা আগস্ট ঘোষণা দিয়েছিলাম সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আসবে। আজ সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে চলে।ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব যে একেবারে শূন্যের কোঠায় চলে এসেছে বিষয়টা এমন নয়। তবে ঢাকায় এর প্রকোপ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। কিন্তু সারাদেশে এই প্রকোপ এখনও রয়েছে। তবে তা নিয়ন্ত্রিত অবস্থার মধ্যে।

সাঈদ খোকন বলেন, ‘আমাদের বিদ্যমান জনবল কাঠামো সংশোধনের মধ্য দিয়ে কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ ডিপার্টমেন্ট নামে একটা বিভাগ তৈরি করতে চাই। যার মাধ্যমে আমাদের গৃহীত প্রকল্প ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারি। সিঙ্গাপুর সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে ঢাকা সিটি করপোরেশন দেশটির মিনিস্ট্রি অব এনভায়রনমেন্ট, মিনিস্ট্রি অব হেলথ এবং হেলথ ইন্সটিটিউটের সঙ্গে একটি দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য একমত হয়েছে। এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হওয়ার পর আমাদের মধ্যে একটি স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে উঠবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে এই শহরে এবারের মতো পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না হয়, আগামী বছর যাতে আমরা আমাদের নাগরিকদে ডেঙ্গুর হাত থেকে রক্ষা করতে পারি সেই প্রচেষ্টা নেওয়া হচ্ছে।’

‘গত আগস্টে মেয়র সাঈদ খোকন বলেছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১১টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুমুক্ত’- সেই ওয়ার্ডগুলোর এখন কী অবস্থা? এমন প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‘ওই সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে সার্ভে করে আমাকে বলেছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কয়েকটি ওয়ার্ড এডিসের লার্ভামুক্ত। আবার বেশকিছু ওয়ার্ডে লার্ভার ঝুঁকি রয়েছে। আমি তখন ভুলবশত বলেছিলাম ডিএসসিসির কয়েকটি ওয়ার্ড ডেঙ্গুমুক্ত; আসলে শব্দটি হবে লার্ভামুক্ত। আমি আমার এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য দুঃখপ্রকাশ করছি।’

সারাবাংলা/এসএইচ/পিটিএম

বিজ্ঞাপন

Tags: , , , ,

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন