রবিবার ২০ অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ৪ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২০ সফর, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

জি কে শামীম ১০ দিন, সহযোগীরা ৪ দিনের রিমান্ডে

সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯ | ৮:০৭ অপরাহ্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: অস্ত্র ও মাদক আইনে দায়ের করা দুই মামলায় যুবলীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া শামীমকে ( জি কে শামীম) ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। এছাড়া মামলার আরও সাত আসামিকে চারদিন করে রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মাহমুদা আক্তার আসামিদের এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে, শনিবার সন্ধ্যায় জি কে শামীমসহ আট আসামিকে আদালতে তোলা হয়।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান জানান, জি কে শামীম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।

বিজ্ঞাপন

আদালত সূত্রে জানা গেছে, অস্ত্র মামলায় শামীমকে পাঁচদিনের ও মাদক মামলায় পাঁচদিন করে মোট ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। মামলার তদন্তের স্বার্থে পুলিশ উভয় মামলায় মোট ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এছাড়া অন্য আসামিদের একই মামলায় চারদিন করে রিমান্ডে নেওয়া হয়।

এর আগে শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গুলশান নিকেতনের অফিস থেকে জি কে শামীমকে আটক করে র‌্যাব-১। এ সময় সেখান থেকে ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর চেকসহ বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি মুদ্রা, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি শামীমের সাতজন দেহরক্ষীকে আটক করা হয়। এছাড়া তাদের অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গুলি জব্দ করা হয়।

শনিবার বিকেলে জি কে শামীমকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। এরপরই পুলিশ মামলার প্রস্তুতি নেয়।

জি কে শামীমসহ মামলায় আরও সাতজনকে আসামি করা হয়েছে। এরা হলেন মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. মোরাদ হোসেন, মো.জাহিদুল ইসলাম, মো.শহীদুল ইসলাম, মো.কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আনিছুল ইসলাম।

র‌্যাব সদস্যরা জানান, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে নিকেতনের ৫ নম্বর রোডের ১৩ নম্বর বাসায় জি কে শামীমের অফিসে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। পরে দুপুর ১২টার দিকে একই রোডের ১৪৪ নম্বর বাড়িতে অভিযান চালায় র‌্যাব। ওই বাড়িটি শামীমের নিজস্ব। অভিযানের সময় সেখানেই অবস্থান করছিলেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছয় দেহরক্ষীকেও আটক করা হয়েছে।

শামীমের অফিস থেকে ১২৫ কোটি টাকার এফডিআর চেকসহ নগদ প্রায় দুই কোটি টাকার দেশি ও বিদেশি নোট জব্দ করা হয়। শামীমের কাছে একটি অস্ত্রও পায় র‌্যাব।

জানা যায়, জি কে বিল্ডার্স কোম্পানিটি শামীমের মালিকানাধীন। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বড় বড় সকল টেন্ডারের কাজ পেয়ে থাকে এই কোম্পানি। অন্য কেউ টেন্ডার জমা দিলেও যুবলীগের সম্রাট ও খালেদের হস্তক্ষেপে সমাধান হয়ে যেত। জি কে বিল্ডার্সের টাকার একটি মোটা অংশ খালেদ ও সম্রাটের পকেটে যেত।

সিঙ্গাপুরে জি কে বিল্ডার্সের একটি শাখাও রয়েছে। সেখানে বসতেন শামীম, সম্রাট ও খালেদ। শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানও সেখানে উড়ে যান মাঝেমধ্যে। সরকারি কাজের যে কোনো টেন্ডার বাগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হকো ওই অফিস থেকেই।

আরও পড়ুন

শামীমের অফিসেই ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর!
সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে শামীমকে গ্রেফতার: র‌্যাব
জি কে শামীম যুবলীগের কেউ নয়: ওমর ফারুক
‘নারায়ণগঞ্জ আ.লীগ কমিটিতেও নেই জি কে শামীম’
জি কে শামীমের বিরুদ্ধে তিন মামলা

সারাবাংলা/এআই/একে

বিজ্ঞাপন

Tags: , , ,

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন