বৃহস্পতিবার ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ২ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৭ সফর, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

‘জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে বিশ্বনেতাদের কারণে আমরা হেরে যাচ্ছি’

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯ | ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ

পরিবেশ ও জলবায়ু ডেস্ক

সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের এক সেশনে আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় জন্য বিশ্বনেতাদের অভিযুক্ত করে গ্রেটা বলেন, ফাঁকা বুলি আওড়িয়ে আপনারা আমাদের স্বপ্ন কেড়ে নিচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে এতথ্য দেওয়া হয়।

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসের আয়োজনে এক দিনব্যাপী হওয়া ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিট-২০০৯’ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন বিশ্বের ৬০টি দেশের নেতারা। এই সেশনে ছিল না ব্রাজিল, সৌদি আরব বা যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ। তবে দর্শক সারিতে কিছু সময়ের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দেখা মিলেছে।

গ্রেটা তার বক্তৃতায় বলেন, যা ঘটছে তার পুরোটাই ভুল। আমার তো এখানে আসার কথা ছিল না। সাগরের ওই পাড়ের দেশটিতে আমার স্কুলে থাকার কথা ছিল। আপনারা আমাদের মতো তরুণদের কাছ থেকে আশার বাণী শুনতে এসেছেন। কতটা স্পর্ধা আপনাদের? ফাঁকা বুলি আওড়িয়ে আপনারা আমার শৈশব, স্বপ্ন চুরি করেছেন। যদিও আমি এখনো সৌভাগ্যবানদের একজন। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য মানুষ ভুগছে, মারা যাচ্ছে। ইকোসিস্টেম ধ্বংস হচ্ছে। আমরা গণবিলুপ্তির প্রান্তে দাঁড়িয়ে। আর আপনারা কথা বলছেন অর্থ আর আর্থিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে। কতটা স্পর্ধা হয় আপনাদের?

বিজ্ঞাপন

গ্রেটা আরও বলেন, আপনাদের কারণে আমরা হেরে যাচ্ছি। তরুণরা বুঝতে পেরেছে আপনারা বিশ্বাসঘাতক। আগামী প্রজন্ম আপনাদের দিকে চেয়ে আছে। যদি আপনারা আমাদের হেরে যেতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। আমরা আপনাদের কখনো ক্ষমা করব না।

সম্মেলনে মহাসচিব গুতেরেস বলেন, আমরা এখন গর্তে পড়ে গেছি। জরুরি ভিত্তিকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। সময় চলে যাচ্ছে তবে এখনো ফুরোয়নি।

জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল জানান বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে তার দেশ প্রতিশ্রুত অর্থ বরাদ্দ দ্বিগুণ করে ৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করবে। গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনভূমি রক্ষায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনের ৫০০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দের তথ্য দেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুলে ম্যাঁখো।

নিউজিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট জাসিন্ডা আর্ডার্ন বলেন, আমরা পার্লামেন্টে জিরো কার্বন বিল উত্থাপন করেছি। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখা ও বিপর্যয় এড়াতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সারাবাংলা/এনএইচ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন