বিজ্ঞাপন

হুমায়ুন আজাদ হত্যা: আত্মপক্ষ সমর্থনে নির্দোষ দাবি করল আসামিরা

September 30, 2019 | 3:35 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: প্রথাবিরোধী লেখক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলায় আসামি পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২০ অক্টোবর দিন ঠিক করেছেন আদালত। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মামলাটিতে আসামি পক্ষের ফৌজদারি কার্যবিধি আনুসারে ধারা (৩৪২) আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে।

বিজ্ঞাপন

এরপর আসামি পক্ষের (সাফাই) সাক্ষী দেবে বলে আদালতের কাছে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাকছুদা পারভীন আসামি পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নতুন করে এ দিন ঠিক করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একুশে গ্রন্থমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে হামলার শিকার হয়ে মারাত্মক আহত হন ড. হুমায়ুন আজাদ। হামলার সময় তাকে চাপাতি ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ওই হামলার পর হুমায়ুন আজাদ ২২ দিন সিএমএইচে ও ৪৮ দিন ব্যাংককে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে জার্মানির মিউনিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই বছরের ১২ আগস্ট তিনি মারা যান।

বিজ্ঞাপন

ওই ঘটনায় পরদিন তার ছোট ভাই মঞ্জুর কবির বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে তা হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়। এছাড়া একই ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনেও অপর একটি মামলা হয়।

২০০৯ সালের ৬ অক্টোবর এই মামলার বাদী মো. মঞ্জুর কবির মামলাটির বর্ধিত তদন্তের আবেদন করলে ওই বছরের ২০ অক্টোবর আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। বিভিন্ন সময় মামলাটি তদন্ত করেছেন রমনা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান, সিআইডির পুলিশ ইন্সপেক্টর কাজী আব্দুল মালেক, মোস্তাফিজুর রহমান ও লুৎফর রহমান।

বিজ্ঞাপন

২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল ওই মামলার তদন্ত শেষে সিআইডির পরিদর্শক লুৎফর রহমান পাঁচ আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। একই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর ওই পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলো- জেএমবির সুরা সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শাওন, আনোয়ার আলম, হাফিজ মাহমুদ, সালেহীন ওরফে সালাহউদ্দিন ও নূর মোহাম্মদ ওরফে সাবু। আসামিদের মধ্যে সালেহীন ওরফে সালাহউদ্দিন ও নূর মোহাম্মদ ওরফে সাবু (পলাতক) ও হাফিজ মাহমুদ মারা গেছেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এআই/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন