বৃহস্পতিবার ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ২ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৭ সফর, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

আবরার হত্যার প্রতিবাদে চবি ছাত্রীদের বিক্ষোভ-সমাবেশ

অক্টোবর ৯, ২০১৯ | ১:৫৩ অপরাহ্ণ

চবি করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার শাস্তি দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সাধারণ ছাত্রীরা।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল থেকে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে খালেদা জিয়া হল ও প্রীতিলতা হল প্রদক্ষিণ করে শহিদ মিনারে এসে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে বৃষ্টি উপেক্ষা করে দ্বিতীয় দফায় বিক্ষোভ করেন তারা।

এসময় ‘আমার ভাই মরল কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘বুয়েট তোমার ভয় নাই, আমরা আছি লাখো বোন’, ‘দেশবিরোধী চুক্তি, মানি না, মানব না’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। তাৎক্ষণিকভাবে বুয়েটে উপাচার্য, প্রক্টররা উপস্থিত না হওয়া নিয়েও তোলা হয় প্রশ্ন।

বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসের কারণে একজন ছেলেকে হত্যা করা হবে কেন? দেশকে ভালবাসাই কি তার অপরাধ? হত্যাকারী অমিত সাহাকে এজাহার থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই হত্যাকারীদের বিচার নিয়ে যেন কোনো প্রহসন না হয়। কোনো হত্যাকাণ্ডেরই আমরা বিচার পাই না। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েও এর আগে অনেক হত্যার ঘটনা ঘটেছে৷ কিন্তু বিচার হয়নি। এবার যেন এমনটা না হয়।

ছাত্রীদের আন্দোলন বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর রেজাউল করিম বলেন, তাদের আন্দোলনকে আমরা সাপোর্ট করছি। তবে ইতোমধ্যেই কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তারা বিতর্কিত কোনো বিষয় এর মধ্যে নিয়ে আসবে না। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করবে বলে আমি আশা করছি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) তড়িৎকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদ। তিনি বুয়েট ক্যাম্পাসে অবস্থিত শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর রুমের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে তাকে রুম থেকে ডেকে নিয়ে যান বুয়েট ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী।

ওই হলে ২০১১ নম্বর রুমে নিয়ে তাকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার তথ্য জানিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতারাই। পরে আর রুমে ফিরে আসেননি আবরার। সোমবার (৭ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয় হলের সিঁড়ি থেকে।

সারাবাংলা/সিসি/এনএইচ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন