বুধবার ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ১ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ সফর, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

মিয়ানমারেই রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান: জাতিসংঘ

অক্টোবর ৯, ২০১৯ | ৭:২৭ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টির মূলে মিয়ানমার এবং মিয়ানমারেই এই সংকটের সমাধান। বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো বুধবার (৯ অক্টোবর) এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

কূটনৈতিক সংবাদদাতাদের সংগঠন (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’ অনুষ্ঠানে মিয়া সেপ্পো এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস-বিস) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান খুব বড় চ্যালেঞ্জ। এই সংকট থেকে বের হতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্য দেশগুলোর সঙ্গে একযোগে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জাতিসংঘ। এরই মধ্যে কফি আনান কমিশনসহ জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিংস মিশন এই সংকটের মূল উদঘাটন করে সমাধানের জন্য করণীয় সম্পর্কে জানিয়েছে।

মিয়া সেপ্পো বলেন, ‘আমার দৃষ্টিতে দুইভাবে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান সম্ভব। এক, এই সংকট এতই জটিল যে খুব সহজেই এর সমাধান সম্ভব নয়। কেননা এ সংকটের কারণে আমরা সম্মিলিতভাবে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি। যা খুবই জটিল এবং একটি অন্যটির সঙ্গে জড়িত। তবে মূল বিষয় হচ্ছে—নিরাপদ এবং সম্মানজনক প্রত্যাবাসন পরিবেশ সৃষ্টি করা, যাতে রোহিঙ্গারা ফিরে যেতে আগ্রহী হন। কিন্তু এখনও নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন বিষয়ে অগ্রগতি নেই।’

বিজ্ঞাপন

মিয়া সেপ্পো আরও বলেন, ‘দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করাই রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান। টেকসই প্রত্যাবাসন পরিবেশ সৃষ্টির পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের মধ্যেও আস্থার সম্পর্ক গড়তে হবে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো‘র কাছে ডিক্যাব টক অনুষ্ঠানে একজন সংবাদকর্মী প্রশ্ন করেন যে, রোহিঙ্গাদের সহায়তার জন্য যে তহবিল রয়েছে তার অনেকাংশই জাতিসংঘ বা এনজিও কর্মকর্তাদের ভ্রমণ বা প্রশাসনিক কাজে অপচয় হয়, এমন প্রশ্ন উঠেছে। এ তহবিলের কত অংশ রোহিঙ্গাদের জন্য এবং কত অংশ প্রশাসনিক কাজে ব্যয় হয়, তার অনুপাত কত?

এ প্রশ্নের কোনো জবাব দিতে পারেননি মিয়া সেপ্পো। তিনি বলেন, ‘খুবই ভালো প্রশ্ন। আমার কাছে এই মুহূর্তে সঠিক তথ্য নেই। তবে আমি এটি জেনে জানিয়ে দেব।’

সারাবাংলা/জেআইএল/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন