মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২১ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

শ্রী বৃদ্ধির আশীর্বাদ দেবেন দেবী লক্ষ্মী

অক্টোবর ১৩, ২০১৯ | ৩:০২ অপরাহ্ণ

সারাবাংলা ডেস্ক

ঢাকা: ওঁ বিশ্বরূপস্য ভাষাসি পদ্মে পদ্মালয়ে শুভে। সর্বতঃ পাহি মাং এবি মহালক্ষ্মী নমোহস্তুতে। রোববার (১৩ অক্টোবর) বিভিন্ন মঠ, মন্দির ছাড়াও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা।

বিজ্ঞাপন

দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গার বিসর্জনের পরে শারদীয় প্রথম পূর্ণিমা তিথিতে দেবী লক্ষ্মী শ্রী বৃদ্ধির আশীর্বাদ দেন। শাস্ত্র মতে, লক্ষ্মী ধনের দেবী। সেই ধন কেবল অর্থ নয়। বিষ্ণু পত্নী দ্বিভূজা, ছয়টি বিশেষ গুণের এই দেবী ভক্তদের দেন— খ্যাতি, জ্ঞান, সাহস, শক্তি, বিজয়, সুসন্তান, রত্ন, শস্য, সুখ, নৈতিকতা, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘজীবন।

মহালক্ষ্মীর পূজাকে কোজাগরী পূজা বলা হয়। কোজাগরী শব্দটি এসেছে ‘কো জাগতি’ থেকে। সংস্কৃত এই শব্দের অর্থ ‘কে জেগে আছো?’ বলা হয়ে থাকে, কোজাগরীর রাতে কোনো এক সময় দেবী লক্ষ্মী ধন-সম্পদ দিতে ঘরের দরজায় এসে ‘কে জেগে আছো?’ বলে হাঁক দেবেন। যিনি ব্রতী হয়েছেন, তিনি জেগে থাকবেন এবং দেবীর ডাকে সারা দিতে পারবেন।

কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার নির্ঘণ্ট ও সময়সূচি:
ইংরেজি তারিখ ১২ অক্টোবর দিবাগত রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে পূর্ণিমা তিথি শুরু হয়েছে। শেষ হবে ১৩ অক্টোবর দিবাগত রাত ২টা ৩৪ মিনিটে। এ সময় পর্যন্ত চলবে উপবাস।

বিজ্ঞাপন

কোজাগরী পূজায় ঘরে ঘরে আঁকা হয়েছে আল্পনা। লক্ষ্মীর ঘট স্থাপনের পরে আম্রপত্রে দেওয়া হবে সিঁদুরের ফোঁটা। পাঠ হবে ব্রতকথা। প্রণাম শেষে পূর্ণির তিথির পরে হবে প্রসাদ বিতরণ। এরপর প্রতি বৃহস্পতিবার জপ করা হবে লক্ষ্মীর পাঁচালী।

রাজধানীতে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ মন্দির ঘুরে দেখা গেছে— শ্রদ্ধা ও মর্যাদায় চলছে পূজার আয়োজন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এটি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন