বুধবার ১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ২৯ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৫ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

ব্রেক্সিট আলোচনা চলছেই…

অক্টোবর ১৬, ২০১৯ | ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আসন্ন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) সামিটকে সামনে রেখে ইইউ প্রতিনিধিদের সাথে যুক্তরাজ্যের সরকারি কর্তৃপক্ষের নতুন ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত আছে। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সারারাত দুই পক্ষের আলোচনা চললেও কোনো ফলাফল আসেনি। খবরে জানিয়েছে বিবিসি।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিতব্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) সামিটের আগেই নতুন একটি চুক্তি করার বিষয়টি নিয়ে চাপের মুখে আছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। যদিও তার মুখপাত্র বিবিসিকে জানিয়েছেন, দুই পক্ষের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা চলছে, এখনও অনেক পথ যাবার বাকি আছে।

আরও পড়ুন- শেষ সময়েও দোদুল্যমান ব্রেক্সিট চুক্তি

ব্রেক্সিট ইস্যুতে ইইউ এর প্রধান সমঝোতাকারী মিশেল বার্নিয়ার অবশ্য আশাবাদী হয়ে বলেছিলেন, মঙ্গলবারের (১৫ অক্টোবর) মধ্যেই বিস্তারিত চুক্তির ব্যাপারে উভয়পক্ষ ঐক্যমতে পৌঁছাবে।

তবে বিবিসির রাজনীতি বিষয়ক সম্পাদক লরা কুয়েন্সবার্গ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, ওই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। তিনি বলেন, ব্রাসেলসে নতুন চুক্তি আলোর মুখ দেখছে কি না, তা জানা যাবে ইইউ প্রতিনিধিদের সাথে বার্নিয়েরের বুধবার (১৬ অক্টোবর) বৈঠকের পর।

প্রভাবশালী দৈনিক গার্ডিয়ান দাবি করেছে, বুধবার (১৬ অক্টোবর) সকাল নাগাদ নতুন চুক্তির খসড়া প্রকাশ করা হতে পারে। যেখানে যুক্তরাজ্য আয়ারল্যান্ডের সীমান্ত ও শুল্ক সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দর কষাকষি করবে।

এ ব্যাপারে আয়ারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট লিও ভেরাদকার বলেছেন, নিজেদের মধ্যে দূরত্ব নিয়েও আলোচনার দুই পক্ষ সঠিক দিকেই এগিয়ে যাচ্ছেন। তবে ব্রাসেলস সম্মেলনের আগে ওই চুক্তি প্রস্তুত অবস্থায় থাকবে কি না, সে বিষয়টি এখনও অস্পষ্ট।

এছাড়াও, আয়ারল্যান্ডের ডেপুটি প্রেসিডেন্ট মঙ্গলবারে (১৫ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জোরালো পদক্ষেপ আশা করেছেন। কারণ, সম্মেলন একবার শুরু হয়ে গেলে বিস্তারিত চুক্তির ব্যাপারে কথা বলার কোনো জায়গা থাকবে না।

ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিতব্য এই দুই দিনের ইইউ সম্মেলন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বের হয়ে আসার ব্যাপারে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এখান থেকে বরিস জনসন তার প্রস্তাবনা অনুসারে বিস্তারিত চুক্তি পাস করিয়ে আনতে পারেন কি না, তাই এখন দেখার বিষয়।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/একেএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন