বৃহস্পতিবার ২১ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৩ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

যে স্টেডিয়ামে ৪০ বছরে হারিয়েছে ১ হাজার ফুটবল

অক্টোবর ১৬, ২০১৯ | ৬:১৯ অপরাহ্ণ

স্পোর্টস ডেস্ক

বলা হয়ে থাকে ‘ফুটবল ইজ দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ অন্য কথা বলা যেতে পারে পৃথিবীর সব থেকে জনপ্রিয় খেলা ফুটবল। ফুটবলের মাঠের সৌন্দর্য দেখতে হলে অবশ্যই চোখ বুলাতে হবে ইউরোপের স্টেডিয়াম গুলোতে। আর সেসব সুন্দরতম স্টেডিয়াম গুলোর মধ্যে অন্যতম সুইজারল্যান্ডের আল্পস পর্বতের কোল ঘেষে তৈরি করা ‘দ্য ওটমার হিটজফেল্ড স্টেডিয়াম’। সুইজল্যান্ডের অ্যামেচার লিগের দল এফসি জিপসনের ঘরের মাঠ এটি।

বিজ্ঞাপন

পৃথিবীর সুন্দরতম স্টেডিয়াম গুলোর মধ্যে অন্যতম তো বটে, সেই সাথে ইউরোপের সব থেকে উঁচু স্টেডিয়ামটিও এই ওটমার হিটজফেল্ড স্টেডিয়াম। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই স্টেডিয়াম। এখানে খেলতে হলে ফুটবলারদের তার দিয়ে সংযুক্ত যোগাযোগ মাধ্যম দিয়েই মাঠে আসতে হয়।

তবে এত কিছুর পরেও এখানে খেলতে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এফসি জিপসনের ফুটবলাররা। আর তাই তো অধিনায়ক সেবাস্তিয়ান ফারার বলেন, ‘এটা খুবই বিশেষ একটা ব্যাপার আমার জন্য, যতবারই আমি এখানে খেলতে আসি। আমার বাবা এখানে খেলেছে। আমি বড় হয়েছি এখানে তাকে খেলতে দেখে। আর তাই তো এখানে খেলা আমার কাছে খুবই বিশেষ কিছু।’

বিজ্ঞাপন

তবে এত উচ্চতায় খেলা এবং এত সুন্দরতম জায়গায় খেলার একটি ভয়ংকর দিকও রয়েছে। এই মাঠের একটা দিক খোলা এবং সেই দিকটার নিচে পর্বতের খাড়া। আর তাই তো এখানে খেলার সময় প্রত্যেকটা ম্যাচেই বল পর্বতের খাদ বেয়ে পড়ে যায় নিচে। আনঅফিসিয়ালি বলা হয় গেল ৪০ বছরে এই স্টেডিয়ামে খেলার সময় কমপক্ষে ১০০০ বল হারিয়েছে।

এ সম্পর্কে এফসি জিপসনের ডিফেন্ডার আলফন্সো বিগগার বলেন, ‘এখানে খেলার সময় বেশির ভাগ সময় বলে নিচে পড়ে যায়। আর বল ২০০ থেকে ৩০০ মিটার নিচে পড়ে যায়। আর সেখান থেকে বল আনা অসম্ভব হয়ে পড়ে। কখনো কখনো এক ম্যাচে কোনো বলই হারায় না আমরা আবার কখনও কখনও এক ম্যাচেই দশটি বল হারিয়ে যায়। এই বিষয়টা খুবই বিরক্তিকর।’

এত প্রতিবন্ধকতার পরেও পৃথিবীর সব থেকে সুন্দরতম একটি স্টেডিয়ামের মধ্যে এটি অন্যতম, এই স্টেডিয়ামটি অবশ্য অন্যান্য স্টেডিয়ামের থেকে একটু ব্যতিক্রম হওয়ার কারণ হচ্ছে এর এক প্রান্ত কৃত্রিমভাবে তৈরি। সমতল জায়গার অভাবের কারণে কৃত্রিমভাবে জায়গা তৈরি করতে হয়েছে। আর সেই সাথে এই স্টেডিয়ামটি অন্যান্য স্টেডিয়ামের তুলনায় খানিকটা মাপে ছোট।

অক্টোবরের দিকে শীতের কারণে এখানে অর্ধ মিটার তুষার জমে যায়। আর সেই তুষার পরিষ্কারের দায়িত্বটাও বর্তে ফুটবলারদের ওপরেই। পর্বতে ফুটবল খেলা দল গুলোর মধ্যে কন্টিনেনটাল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২০ সালের টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে এখানেই।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন