সোমবার ১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২০ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

‘সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা এসডিজি অর্জন ত্বরান্বিত করবে’

অক্টোবর ১৭, ২০১৯ | ১২:২২ পূর্বাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন ত্বরান্বিত করতে সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ। এ জন্য তিনি প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিনিয়োগের ওপর জোর দেন।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর আজিমপুরের জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (নিপ্রোট) ‘প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা সম্পর্কিত এসডিজি অর্জনে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন’ শীর্ষক আয়োজিত কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

ডা. আবুল কালাম বলেন, স্বাস্থ্যসেবাকে সবার দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে আমাদের জনগণের সঙ্গে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করতে হবে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাকে এমনভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে, যেন জনগণ জানতে পারে এটি একটি অধিকার।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের এই মহাপরিচালক আরও বলেন, যারা স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত, তাদের জন্য একদিকে যেমন প্রণোদনার ব্যবস্থা করা দরকার, অন্যদিকে তাদের জবাবদিহিতার আওতাতেও আনতে হবে। কোথাও যদি কোনো প্রয়োজনীয় পদ খালি থাকে, তবে সেটার জন্য প্রয়োজনীয় সেবা বন্ধ রাখা যাবে না। মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে দায়িত্বপ্রাপ্ত সবাইকে এসব নিয়েও ভাবতে হবে। এসব স্থানে কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, যা পূরণ করতে না পারলে এসডিজি বাস্তবায়ন কষ্টসাধ্য হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, এমননি পরিবার পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করে দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে আমাদের। প্রতিটি মানুষের রোগ প্রতিরোধের বিষয়টি যদি আমরা নিশ্চিত করতে পারি, তবে দেশে বড় বড় হাসপাতালের প্রয়োজন হবে না। এসব বড় বড় প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা খরচ ও পরিচালনায় যে খরচ হয়, তা প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করা গেলে তবেই স্বাস্থ্য খাতে এসডিজি অর্জন অনেক ত্বরান্বিত হবে। এসব বিষয়ে দেশের নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব শেখ ইউসুফ হারুনের সভাপতিত্বে কর্মশালার উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ এখনো আট সেক্টরে প্রত্যাশার তুলনায় পিছিয়ে আছে। সেগুলোর মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলো তিন নম্বর লক্ষ্য, অর্থাৎ সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা।

দুই দিনব্যাপী আয়োজিত কর্মশালার প্রথম দিন উপস্থিত ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী আ খ ম মহিউল ইসলাম, জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (নিপোর্ট) মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার সাহাসহ অন্যান্যরা।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসবি/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন