সোমবার ১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২০ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

সেরা গীতিকবির পুরস্কার পেলেন তপন বাগচী

অক্টোবর ২৮, ২০১৯ | ৫:৩১ অপরাহ্ণ

সাহিত্য ডেস্ক

সেরা গীতিকবির পুরস্কার পেলেন ড. তপন বাগচী। ‘স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড-দ্য ডেইলি স্টার সেলিব্রেটিং লাইফ লিরিক অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’-এর এবারের আসরে এই পুরস্কার জিতলেন তিনি। তার সঙ্গে এই পুরস্কার আরও পেয়েছেন রানা মাসুদ ও মহসিন আহমেদ। তবে তপন বাগচী এর আগেও ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৬ সালে এই পুরস্কারে ভূষিত হন।

বিজ্ঞাপন

গত ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।

নব্বই দশকের কবি তপন বাগচী দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা করেছেন, এখন নিয়মিত গান লিখছেন। তপন বাগচীর জন্ম ১৯৬৮ সালে মাদারীপুর জেলার বাহাদুরপুর গ্রামে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যাত্রাগান নিয়ে গবেষণা করে পিএইচডি অর্জন করেন। দৈনিক আজকের কাগজ, আমাদের সময়, প্রথম আলো, একুশে টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করার পর বর্তমানে তিনি বাংলা একাডেমির উপপরিচালক পদে কর্মরত আছেন।

বাংলা লোকসংগীত নিয়ে একাধিক গ্রন্থ ও গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে তপন বাগচীর। তার খেলা গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘বাংলাদেশের যাত্রাগান: জনমাধ্যম ও সামাজিক পরিপ্রেক্ষিত’, ‘চলচ্চিত্রের গানে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের অবদান’, ‘লোকগানের খোঁজে’, ‘লালন মতুয়া ও লোকসংগীত সন্ধান’, ‘রাধারমণের গান’, ‘লালন হাসন ও রাধারমণের নির্বাচিত গান’, ‘বুকের ভেতর বসত করে’, ‘কলঙ্ক অলঙ্কার হইলো’, ‘দিয়েছি এই বুকের আসন’, ‘আব্বাসউদ্দিন’, ‘তপন বাগচীর মরমি শতগান’, ‘কূলের আশায় কুল হারাইছি’, ‘বঙ্গবন্ধু থেকে মালালা: মন্দ্রিত সুরধ্বনি’।

বিজ্ঞাপন

তপন বাগচী বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারের তালিকাভুক্ত গীতিকার। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড-দ্য ডেইলি স্টার অ্যাওয়ার্ড ছাড়াও তিনি ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী সম্মাননা, অগ্রণী ব্যাংক শিশু একাডেমি শিশু সাহিত্য পুরস্কার (২০১৫), সাংস্কৃতিক খবর পদক (কলকাতা, ২০১৩), মাইকেল মধুসূদন পদক (২০১২), সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সাহিত্য পুরস্কার (২০০৯), মহাদিগন্ত সাহিত্য পুরস্কার (কলকাতা ২০০৮), এম নূরুল কাদের শিশু সাহিত্য পুরস্কার (২০০৮), জেমকন সাহিত্য পুরস্কার (২০০৮), অমলেন্দু বিশ্বাস স্মৃতি পদক (২০০৮), জসীমউদ্দীন গবেষণা পুরস্কার (১৯৯৬), মুনীর চৌধুরী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯১) পেয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/পিএম/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন