শনিবার ১৬ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৮ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

‘জিয়াউর রহমানের মতো খালেদা জিয়াকেও একইভাবে মুক্ত করা হবে’

নভেম্বর ৮, ২০১৯ | ৮:০৫ অপরাহ্ণ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লবের কারণেই স্বাধীন বাংলাদেশ একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত হয়নি। ওইদিন সিপাহী-জনতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেছিলেন বলেই স্বাধীন বাংলাদেশে এখন আমরা বাস করছি। এখন ঠিক একইভাবে খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে বের করে স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে বিএনপি আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একথা বলেন।

বর্তমান সরকার লুটপাটের সরকার উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘সব জায়গায় লুটপাট ছাড়া আর কিছু দেখা যাচ্ছে না। এখন তা ঢাকতে চুনোপুঁটিদের ধরা হচ্ছে। ব্যাংক লুট হয়েছে, শেয়ার বাজার ধ্বংস হয়েছে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই, এসবের হিসেব কোথায়? হিসেব দেওয়ার সময় এসেছে।’

বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকার স্মরণে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবনবাজি রেখে গেরিলা যুদ্ধ করেছিলেন, তার মৃত্যু দেশের মাটিতে হলো না। আমরা দেখেছি তার জানাজায় লাখ লাখ লোকের সমাগম হয়েছিল। এটাই প্রমাণ করে তিনি মাটি ও মানুষের নেতা ছিলেন।’

বিজ্ঞাপন

আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ডা. খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেন, ‘৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের রাজনীতিতে মাইলফলক। ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ সেনাবাহিনীর অনেক সিনিয়র কর্মকর্তাকে টপকে নিজেকে সেনাপ্রধান ঘোষণা করেছিলেন। ৭ নভেম্বর সিপাহী বিপ্লবের মধ্য দিয়ে তার সমাপ্তি ঘটেছিল। দেশ আবারও মুক্ত হয়। বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা করেন জিয়াউর রহমান।’ এসময় রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে এই ফ্যাসিবাদী সরকারকে হটিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার আহ্বানও জানান তিনি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, ‘যে যতই চেষ্টা করুক, শহীদ জিয়াকে তার ইতিহাসে যে অবস্থান সেখান থেকে চুল পরিমান সরাতে পারবেন না। খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনের মাধ্যমে হবে না। তাকে মুক্ত করতে হলে রাজপথ ছাড়া সম্ভব নয়।’

আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবীবুন নবী খান সোহেল, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারি বাবু, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা হেলেন জেরিন খান, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশারসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/ইউজে/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন